সংবাদ শিরোনাম
দুলীপ সিং: সিংহাসন থেকে নির্বাসন, এক মহারাজার অজানা ইতিহাস
উত্তরাধিকারসূত্রে পাঁচ বছর বয়সে শিখ মহারাজার উপাধি পেয়েছিলেন দুলীপ সিং (১৮৩৮-১৮৯৩)। কিন্তু ১৮৪৯ সালে ব্রিটিশরা শিখ সাম্রাজ্য দখলের পর তাকে
পতনমুখী স্বৈরাচারের শেষ চাবুক ও গণপ্রতিরোধের গর্জন
জুলাইয়ের সূর্য তখন এক অবরুদ্ধ, রক্তাক্ত আর হাহাকার ছড়ানো বাংলাদেশের ওপর আলো ফেলছে। গণগ্রেপ্তার, গুম, নির্বিচার হত্যাকাণ্ড আর বাষ্পরুদ্ধ এক
গণভবনে রুদ্ধদ্বার ষড়যন্ত্র: ‘জিরো টলারেন্স’ ও বুলেটের নীল নকশা
ইতিহাসের পাতায় ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই কেবল কোনো বর্ষাস্নাত পঞ্জিকার সাধারণ পাতা ছিল না। তা ছিল এক পতনোন্মুখ, আত্মবিচ্ছিন্ন ও
২৯ জুলাই ২০২৪: ভণ্ডামির রাষ্ট্রীয় শোক বনাম বীর ছাত্র-জনতার রক্তলাল প্রতিরোধ
ইতিহাসের পাতায় ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই কেবল পঞ্জিকার একটি সাধারণ তারিখ নয়; এটি ছিল রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদের নগ্ন নৃশংসতা, নীতিহীন প্রহসন
২৮ জুলাই ২০২৪: ডিবি দপ্তরের নাটক ও বুলেটে লেখা ইতিহাস
ইতিহাসের পাতায় ২৮ জুলাই কোনো সাধারণ তারিখ নয়। এদিন রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে অধিকার আদায়ের আন্দোলনের এক চরম নাট্যমঞ্চ
স্মৃতিতে ২০২৪ এর ২৭ জুলাই: বন্দুকের নলের মুখে অদম্য দাবানল
জুলাইয়ের শেষভাগে এসে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের সর্বাত্মক চেষ্টা ছিল একটিই- যেকোনো মূল্যে গণমানুষের এই আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেওয়া। সারা
ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে শাসকশ্রেণির মিথ্যা আর ছলনার নাটক
ইতিহাসের পৃষ্ঠাগুলো কখনো কখনো স্রেফ কিছু তারিখের সমষ্টি থাকে না; তা হয়ে ওঠে রক্ত, অশ্রু এবং প্রতিরোধের জীবন্ত দলিল। ২০২৪
একনায়কের আত্মতুষ্টি ও মিথ্যাচার: পতনকে ত্বরান্বিত করা শেষ অধ্যায়
আজ ২৫শে জুলাই। ২০২৪ সালের এই দিনে বাঙালির সমকালীন ইতিহাসে এক চরম বিষাদ, স্তব্ধতা আর পুঞ্জীভূত ক্ষোভের রক্তিম অধ্যায় রচিত
রক্তঝরা ২৪ জুলাই: স্মৃতির ক্যানভাসে অশ্রু আর ক্ষোভ
কালের প্রবাহে সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু কিছু তারিখ ইতিহাসের পাতায় কেবল রক্তাক্ষরে লেখা থাকে না, লেখা থাকে একটি জাতির তীব্র
ইতিহাস, স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী তেরশ্রী মসজিদ
গ্রামের সরু পথ পেরিয়ে চোখে পড়ে কালো রঙের বিশাল এক গম্বুজ। চারপাশে ছড়িয়ে আছে আরও ১২টি ছোট গম্বুজ। শতাব্দীর পর



















