ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সংবাদমাধ্যমের কনটেন্ট ব্যবহারে কপিরাইট ঝুঁকিতে গুগলের জেমিনি Logo জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের একগুচ্ছ কর্মসূচি Logo আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিরাপত্তায় অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ৫৫তম জন্মদিনে ঝাঁসির রানি টাবু Logo ঝিনাইদহে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে টায়ারে আগুন, ছাত্রলীগ কর্মী আটক Logo ৯৪ বছরের খরা কাটিয়ে কানসাসে ডেমোক্র্যাট জয়: মার্কিন রাজনীতিতে হ্যামিল্টনের ঐতিহাসিক ইতিহাস Logo জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর Logo পোশাক শিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে Logo নতুন দায়িত্ব পেলেন ভূমিমন্ত্রী Logo আলিবাবার ভেরিফায়েড সরবরাহকারী হলো রিমার্ক, তালিকাভুক্ত হচ্ছে হাজারো পণ্য

৪৫ বাংলাদেশিসহ ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে ৯ দেশের মোট ১৮২ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তাদের মধ্যে ৪৫ জনই বাংলাদেশি নাগরিক।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো ১৮২ জনের মধ্যে রয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার ৮৫ জন, বাংলাদেশের ৪৫, মিয়ানমারের ২৫, পাকিস্তানের ১৫, ভারতের ৩, থাইল্যান্ডের ৩, কম্বোডিয়ার ৩, শ্রীলঙ্কার ২ এবং চীনের ১ জন নাগরিক।

অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। তাদের অধিকাংশের বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের কয়েকজনকে নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ দেওয়া হয়। এসব নথির ভিত্তিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিভাগটি জানায়, ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির নাম অভিবাসন বিভাগের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অনুযায়ী তারা কোনো উদ্দেশ্যেই পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

এদিকে আটক ব্যক্তিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সহজ করতে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে বিশেষ সেবাকেন্দ্র চালু রাখা হয়েছে। সেখান থেকে দেশে ফেরার বিমান টিকিট কেনাসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। এ জন্য কোনো ধরনের সেবামূল্য বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ফেরত পাঠানো ১৮২ জনের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৪৫, যা মোট প্রত্যাবাসিত ব্যক্তির প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদমাধ্যমের কনটেন্ট ব্যবহারে কপিরাইট ঝুঁকিতে গুগলের জেমিনি

৪৫ বাংলাদেশিসহ ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

আপডেট সময় ১১:৩২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে ৯ দেশের মোট ১৮২ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তাদের মধ্যে ৪৫ জনই বাংলাদেশি নাগরিক।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো ১৮২ জনের মধ্যে রয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার ৮৫ জন, বাংলাদেশের ৪৫, মিয়ানমারের ২৫, পাকিস্তানের ১৫, ভারতের ৩, থাইল্যান্ডের ৩, কম্বোডিয়ার ৩, শ্রীলঙ্কার ২ এবং চীনের ১ জন নাগরিক।

অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। তাদের অধিকাংশের বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের কয়েকজনকে নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ দেওয়া হয়। এসব নথির ভিত্তিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিভাগটি জানায়, ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির নাম অভিবাসন বিভাগের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অনুযায়ী তারা কোনো উদ্দেশ্যেই পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

এদিকে আটক ব্যক্তিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সহজ করতে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে বিশেষ সেবাকেন্দ্র চালু রাখা হয়েছে। সেখান থেকে দেশে ফেরার বিমান টিকিট কেনাসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। এ জন্য কোনো ধরনের সেবামূল্য বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ফেরত পাঠানো ১৮২ জনের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৪৫, যা মোট প্রত্যাবাসিত ব্যক্তির প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ