ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রিফিডিং সিনড্রোম

দীর্ঘ অনাহারের পর হঠাৎ খাবার খাওয়ার সময় কোন কোন বিপদ হতে পারে

দীর্ঘ অনাহারের পর হঠাৎ খাবার খাওয়ার সময় কোন কোন বিপদ হতে পারে

দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত খাবার না খাওয়া বা অপুষ্টিতে ভোগা একজন মানুষকে হঠাৎ করে স্বাভাবিক বা বেশি পরিমাণে খাবার দেয়া অনেক সময় উপকারী হওয়ার বিপরীতে গুরুতর শারীরবৃত্তীয় জটিলতা তৈরি করতে পারে। এই জটিলতাকেই বলা হয় রিফিডিং সিনড্রোম (Refeeding Syndrome)। এটি মূলত দীর্ঘ সময়ের অপুষ্টি বা অনাহারের পর দ্রুত পুষ্টি সরবরাহ শুরু করলে শরীরে পানি, ইলেকট্রোলাইট ও বিপাকীয় ভারসাম্যে আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে ঘটে। গুরুতর ক্ষেত্রে এটি হৃদযন্ত্র, শ্বাসপ্রশ্বাস ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমকে বিপন্ন করতে পারে।

কেন এমন হয়:
দীর্ঘ সময় খাবার না পেলে শরীরের বিপাকীয় ব্যবস্থা ধীরে ধীরে কম শক্তি ব্যবহারের অবস্থায় চলে যায়। তখন শরীর শক্তির জন্য প্রধানত জমা চর্বি ও প্রোটিন ব্যবহার করে এবং ইনসুলিনের মাত্রা কম থাকে। কিন্তু হঠাৎ করে কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার বা উচ্চ ক্যালরির পুষ্টি দেয়া হলে ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। ফলে গ্লুকোজের সঙ্গে ফসফেট, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম কোষের ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করে। রক্তে এসব খনিজের মাত্রা দ্রুত কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে পানি ও সোডিয়ামের ভারসাম্যেও পরিবর্তন ঘটে।

বিশেষ করে হাইপোফসফেটেমিয়া বা রক্তে ফসফেটের মাত্রা কমে যাওয়া রিফিডিং সিনড্রোমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। তবে শুধু ফসফেট নয়, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতিও গুরুত্বপূর্ণ। থায়ামিনের ঘাটতিও গুরুতর জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

কারা বেশি ঝুঁকিতে:
সব অপুষ্ট রোগীর রিফিডিং সিনড্রোম হবে এমন নয়। তবে কিছু মানুষের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যেমন- এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রক্তে ফসফেট, পটাশিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও রিফিডিংয়ের ঝুঁকি পুরোপুরি বাদ যায় না। কারণ, দীর্ঘ অপুষ্টিতে শরীরের মোট মজুত কমে যেতে পারে, যদিও রক্তের পরীক্ষায় তা শুরুতে স্পষ্ট নাও হতে পারে।

কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
রিফিডিংয়ের পর ইলেকট্রোলাইট দ্রুত কমে গেলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, পেশি দুর্বল হওয়া, শ্বাসকষ্ট, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা ও শরীরে পানি জমার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গুরুতর অবস্থায় হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা কিংবা একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

আমেরিকান সোসাইটি ফর প্যারেনটারাল অ্যান্ড ইন্টারনাল নিউট্রিশন’র (ASPEN)- ২০২০ সালের কানসেনসাস অনুযায়ী, খাবার পুনরায় শুরু করার পর পাঁচ দিনের মধ্যে ফসফেট, পটাশিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা ১০–২০ শতাংশ কমলে তা মৃদু, ২০–৩০ শতাংশ কমলে মাঝারি এবং ৩০ শতাংশের বেশি কমলে বা সংশ্লিষ্ট অঙ্গের কার্যকারিতায় সমস্যা হলে গুরুতর

প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
রিফিডিং সিনড্রোমের ক্ষেত্রে ‘বেশি খাবার মানেই দ্রুত সুস্থতা’—এই ধারণা বিপজ্জনক হতে পারে। উচ্চঝুঁকির রোগীর ক্ষেত্রে পুষ্টি ধীরে ধীরে শুরু করতে হয় এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা ও পরীক্ষার ফল অনুযায়ী ধাপে ধাপে বাড়াতে হয়।

এনআইসিই’র নির্দেশনায় উচ্চঝুঁকির রোগীর ক্ষেত্রে সাধারণত সর্বোচ্চ ১০ কিলোক্যালরি বা কেজি বা দিন দিয়ে শুরু করে ৪–৭ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় মাত্রায় পৌঁছানোর কথা বলা হয়েছে। অত্যন্ত গুরুতর অপুষ্টির ক্ষেত্রে শুরুতে আরও কম প্রায় ৫ কিলোক্যালরি বা কেজি বা দিন প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি থায়ামিন, অন্যান্য ভিটামিন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফসফেট, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

খাবার শুরু করার আগে ও পরে রোগীর ফসফেট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, গ্লুকোজ, তরল ভারসাম্য এবং ক্লিনিক্যাল অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে এনআইসিই ফসফেট ও ম্যাগনেশিয়াম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেয়। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো, রিফিডিং সিনড্রোমের চিকিৎসায় ইলেকট্রোলাইট বা থায়ামিনের ডোজ রোগীর বয়স, কিডনির কার্যকারিতা, হৃদযন্ত্রের অবস্থা ও ল্যাবরেটরি ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। তাই এগুলো নিজের সিদ্ধান্তে সাপ্লিমেন্ট বা ইনজেকশন হিসেবে নেয়া নিরাপদ নয়।

শুধু অপুষ্টির রোগীর জন্য নয়:
রিফিডিং সিনড্রোমকে কেবল ‘অতি রোগা মানুষের সমস্যা’ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। দীর্ঘ সময় অপর্যাপ্ত খাবার গ্রহণ, গুরুতর অসুস্থতা, খাদ্যগ্রহণে দীর্ঘ বিরতি বা নির্দিষ্ট চিকিৎসাজনিত পরিস্থিতিতেও এর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন না খাওয়ার পর কাউকে হঠাৎ স্বাভাবিক পরিমাণে খাবার দেয়ার আগে তার পুষ্টিগত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা জরুরি।

রিফিডিং সিনড্রোমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো অপুষ্ট শরীরকে খাবার দেয়া প্রয়োজন, কিন্তু সেই খাবার কীভাবে, কতটা এবং কত দ্রুত দেয়া হচ্ছে, সেটিও চিকিৎসার অংশ। সঠিক ঝুঁকি মূল্যায়ন, ধীরে পুষ্টি পুনঃপ্রবর্তন এবং ইলেকট্রোলাইট ও ভিটামিনের যথাযথ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই সম্ভাব্য প্রাণঘাতী জটিলতা অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: NICE Guideline CG32; ASPEN Consensus Recommendations for Refeeding Syndrome (2020); BMJ review.

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

রিফিডিং সিনড্রোম

দীর্ঘ অনাহারের পর হঠাৎ খাবার খাওয়ার সময় কোন কোন বিপদ হতে পারে

আপডেট সময় ১২:০০:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত খাবার না খাওয়া বা অপুষ্টিতে ভোগা একজন মানুষকে হঠাৎ করে স্বাভাবিক বা বেশি পরিমাণে খাবার দেয়া অনেক সময় উপকারী হওয়ার বিপরীতে গুরুতর শারীরবৃত্তীয় জটিলতা তৈরি করতে পারে। এই জটিলতাকেই বলা হয় রিফিডিং সিনড্রোম (Refeeding Syndrome)। এটি মূলত দীর্ঘ সময়ের অপুষ্টি বা অনাহারের পর দ্রুত পুষ্টি সরবরাহ শুরু করলে শরীরে পানি, ইলেকট্রোলাইট ও বিপাকীয় ভারসাম্যে আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে ঘটে। গুরুতর ক্ষেত্রে এটি হৃদযন্ত্র, শ্বাসপ্রশ্বাস ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমকে বিপন্ন করতে পারে।

কেন এমন হয়:
দীর্ঘ সময় খাবার না পেলে শরীরের বিপাকীয় ব্যবস্থা ধীরে ধীরে কম শক্তি ব্যবহারের অবস্থায় চলে যায়। তখন শরীর শক্তির জন্য প্রধানত জমা চর্বি ও প্রোটিন ব্যবহার করে এবং ইনসুলিনের মাত্রা কম থাকে। কিন্তু হঠাৎ করে কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার বা উচ্চ ক্যালরির পুষ্টি দেয়া হলে ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। ফলে গ্লুকোজের সঙ্গে ফসফেট, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম কোষের ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করে। রক্তে এসব খনিজের মাত্রা দ্রুত কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে পানি ও সোডিয়ামের ভারসাম্যেও পরিবর্তন ঘটে।

বিশেষ করে হাইপোফসফেটেমিয়া বা রক্তে ফসফেটের মাত্রা কমে যাওয়া রিফিডিং সিনড্রোমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। তবে শুধু ফসফেট নয়, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতিও গুরুত্বপূর্ণ। থায়ামিনের ঘাটতিও গুরুতর জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

কারা বেশি ঝুঁকিতে:
সব অপুষ্ট রোগীর রিফিডিং সিনড্রোম হবে এমন নয়। তবে কিছু মানুষের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যেমন- এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রক্তে ফসফেট, পটাশিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও রিফিডিংয়ের ঝুঁকি পুরোপুরি বাদ যায় না। কারণ, দীর্ঘ অপুষ্টিতে শরীরের মোট মজুত কমে যেতে পারে, যদিও রক্তের পরীক্ষায় তা শুরুতে স্পষ্ট নাও হতে পারে।

কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
রিফিডিংয়ের পর ইলেকট্রোলাইট দ্রুত কমে গেলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, পেশি দুর্বল হওয়া, শ্বাসকষ্ট, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা ও শরীরে পানি জমার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গুরুতর অবস্থায় হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা কিংবা একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

আমেরিকান সোসাইটি ফর প্যারেনটারাল অ্যান্ড ইন্টারনাল নিউট্রিশন’র (ASPEN)- ২০২০ সালের কানসেনসাস অনুযায়ী, খাবার পুনরায় শুরু করার পর পাঁচ দিনের মধ্যে ফসফেট, পটাশিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা ১০–২০ শতাংশ কমলে তা মৃদু, ২০–৩০ শতাংশ কমলে মাঝারি এবং ৩০ শতাংশের বেশি কমলে বা সংশ্লিষ্ট অঙ্গের কার্যকারিতায় সমস্যা হলে গুরুতর

প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
রিফিডিং সিনড্রোমের ক্ষেত্রে ‘বেশি খাবার মানেই দ্রুত সুস্থতা’—এই ধারণা বিপজ্জনক হতে পারে। উচ্চঝুঁকির রোগীর ক্ষেত্রে পুষ্টি ধীরে ধীরে শুরু করতে হয় এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা ও পরীক্ষার ফল অনুযায়ী ধাপে ধাপে বাড়াতে হয়।

এনআইসিই’র নির্দেশনায় উচ্চঝুঁকির রোগীর ক্ষেত্রে সাধারণত সর্বোচ্চ ১০ কিলোক্যালরি বা কেজি বা দিন দিয়ে শুরু করে ৪–৭ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় মাত্রায় পৌঁছানোর কথা বলা হয়েছে। অত্যন্ত গুরুতর অপুষ্টির ক্ষেত্রে শুরুতে আরও কম প্রায় ৫ কিলোক্যালরি বা কেজি বা দিন প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি থায়ামিন, অন্যান্য ভিটামিন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফসফেট, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

খাবার শুরু করার আগে ও পরে রোগীর ফসফেট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, গ্লুকোজ, তরল ভারসাম্য এবং ক্লিনিক্যাল অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে এনআইসিই ফসফেট ও ম্যাগনেশিয়াম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেয়। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো, রিফিডিং সিনড্রোমের চিকিৎসায় ইলেকট্রোলাইট বা থায়ামিনের ডোজ রোগীর বয়স, কিডনির কার্যকারিতা, হৃদযন্ত্রের অবস্থা ও ল্যাবরেটরি ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। তাই এগুলো নিজের সিদ্ধান্তে সাপ্লিমেন্ট বা ইনজেকশন হিসেবে নেয়া নিরাপদ নয়।

শুধু অপুষ্টির রোগীর জন্য নয়:
রিফিডিং সিনড্রোমকে কেবল ‘অতি রোগা মানুষের সমস্যা’ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। দীর্ঘ সময় অপর্যাপ্ত খাবার গ্রহণ, গুরুতর অসুস্থতা, খাদ্যগ্রহণে দীর্ঘ বিরতি বা নির্দিষ্ট চিকিৎসাজনিত পরিস্থিতিতেও এর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন না খাওয়ার পর কাউকে হঠাৎ স্বাভাবিক পরিমাণে খাবার দেয়ার আগে তার পুষ্টিগত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা জরুরি।

রিফিডিং সিনড্রোমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো অপুষ্ট শরীরকে খাবার দেয়া প্রয়োজন, কিন্তু সেই খাবার কীভাবে, কতটা এবং কত দ্রুত দেয়া হচ্ছে, সেটিও চিকিৎসার অংশ। সঠিক ঝুঁকি মূল্যায়ন, ধীরে পুষ্টি পুনঃপ্রবর্তন এবং ইলেকট্রোলাইট ও ভিটামিনের যথাযথ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই সম্ভাব্য প্রাণঘাতী জটিলতা অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: NICE Guideline CG32; ASPEN Consensus Recommendations for Refeeding Syndrome (2020); BMJ review.

বাংলা৭১নিউজ/জেএস