ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পাকিস্তান সীমান্তে ২৮ সশস্ত্র জঙ্গিকে প্রাণহানির করার দাবি আফগানিস্তানের Logo প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাস ভেঙে টেনেসিতে কার্যকর হচ্ছে নারীর মৃত্যুদণ্ড Logo রাতের অন্ধকারে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে বুলডোজার এনে গুঁড়িয়ে দেওয়া কখনোই কাম্য নয়: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে প্রাণ গেল মা-ছেলের Logo বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ১৯ বছর পর পলাতক আসামির মৃত্যুদণ্ড Logo দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলার ঘোষণা Logo গেম খেলে ৭৮ বয়সি নারীর বিশ্বরেকর্ড Logo ৭০ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙলেন ইয়ামাল Logo কৃষকরাই দেশ গড়ার যোদ্ধা : রাষ্ট্রপতি Logo চুয়েটে ভিসিকে পুনর্বহালের আন্দোলনে ‘৫৬’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ওয়াই-ফাই গতি বাড়ানোর ৫ সহজ উপায়

বর্তমানে টিভি, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে স্মার্ট স্পিকার; প্রায় সব ডিভাইসের জন্যই বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। একই নেটওয়ার্কে একসঙ্গে অনেক ডিভাইস যুক্ত থাকলে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক।

এতে অ্যাপ ডাউনলোড, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা ভিডিও কলের সময়ও সমস্যা হতে পারে।

তবে ওয়াই-ফাই ধীরগতির হলেই যে টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিতে হবে, তা নয়। কয়েকটি সহজ পরিবর্তন করেই অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের পারফরম্যান্স উন্নত করা সম্ভব।

১. রাউটারের অবস্থান ঠিক করুন

ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজের ক্ষেত্রে রাউটার কোথায় রাখা হয়েছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

বাড়ির তুলনামূলক মাঝের জায়গায় এবং খোলা স্থানে রাউটার রাখলে সিগন্যাল বিভিন্ন দিকে ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে।

দেয়াল, বড় আসবাব কিংবা অন্য কোনো বাধার আড়ালে রাউটার না রাখাই ভালো। পাশাপাশি মাইক্রোওয়েভের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির খুব কাছেও রাউটার রাখা উচিত নয়।

২. প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুততর ব্যান্ড ব্যবহার করুন

বর্তমানের অনেক রাউটারেই ২.৪GHz ও ৫GHz—দুই ধরনের ব্যান্ড ব্যবহারের সুবিধা থাকে।

সাধারণভাবে ৫GHz ব্যান্ড কাছাকাছি থাকা ডিভাইসে বেশি গতি দিতে পারে। তাই ভিডিও কল, অনলাইন গেমিং বা উচ্চগতির ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৫GHz কাজে লাগতে পারে।

অন্যদিকে, ২.৪GHz ব্যান্ড তুলনামূলক বেশি দূরত্বে সিগন্যাল পৌঁছাতে পারে এবং দেয়াল পেরোনোর ক্ষেত্রেও সুবিধা দিতে পারে। ফলে ডিভাইসের অবস্থান ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যান্ড বেছে নেয়া ভালো।

৩. রাউটার রিবুট করে দেখুন

ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মতো রাউটারেও কখনও কখনও সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ পর আবার চালু করলে সংযোগের কিছু সমস্যা দূর হতে পারে।

তবে নিয়ম করে কয়েক দিন পরপর রাউটার বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বরং সংযোগে সমস্যা দেখা দিলে বা রাউটার ঠিকমতো কাজ না করলে রিবুট করে দেখা যেতে পারে।

৪. অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সংযোগমুক্ত করুন

একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কতগুলো ডিভাইস যুক্ত রয়েছে, তা অনেক সময় ব্যবহারকারীরা খেয়াল করেন না। পুরোনো ফোন, ট্যাব, স্মার্ট টিভি বা অন্যান্য ডিভাইস প্রয়োজন না থাকলেও নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারে।

রাউটারের অ্যাপ বা সেটিংস থেকে সংযুক্ত ডিভাইসের তালিকা দেখে অপ্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলো সরিয়ে দেয়া যেতে পারে। এতে নেটওয়ার্কের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমানো সম্ভব।

৫. প্রয়োজন হলে রাউটার আপগ্রেড করুন

অনেক পুরোনো রাউটার নতুন প্রজন্মের ডিভাইস ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের সঙ্গে তাল মেলাতে নাও পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর রাউটারের হার্ডওয়্যার বা প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

তাই অন্যান্য সমাধান চেষ্টা করার পরও যদি ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজে সমস্যা থেকে যায়, তাহলে নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তি সমর্থন করে এমন রাউটারে আপগ্রেড করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।

এরপরও সমস্যা থাকলে

রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন, উপযুক্ত ব্যান্ড ব্যবহার, রিবুট এবং অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সরানোর পরও যদি ইন্টারনেটের সমস্যা থেকে যায়, তাহলে বিষয়টি শুধু ওয়াই-ফাই রাউটারের কারণে নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংযোগ, লাইনের সমস্যা কিংবা দুর্বল সিগন্যাল কভারেজের বিষয়টি পরীক্ষা করানো যেতে পারে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

পাকিস্তান সীমান্তে ২৮ সশস্ত্র জঙ্গিকে প্রাণহানির করার দাবি আফগানিস্তানের

ওয়াই-ফাই গতি বাড়ানোর ৫ সহজ উপায়

আপডেট সময় ০৭:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্তমানে টিভি, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে স্মার্ট স্পিকার; প্রায় সব ডিভাইসের জন্যই বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। একই নেটওয়ার্কে একসঙ্গে অনেক ডিভাইস যুক্ত থাকলে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক।

এতে অ্যাপ ডাউনলোড, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা ভিডিও কলের সময়ও সমস্যা হতে পারে।

তবে ওয়াই-ফাই ধীরগতির হলেই যে টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিতে হবে, তা নয়। কয়েকটি সহজ পরিবর্তন করেই অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের পারফরম্যান্স উন্নত করা সম্ভব।

১. রাউটারের অবস্থান ঠিক করুন

ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজের ক্ষেত্রে রাউটার কোথায় রাখা হয়েছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

বাড়ির তুলনামূলক মাঝের জায়গায় এবং খোলা স্থানে রাউটার রাখলে সিগন্যাল বিভিন্ন দিকে ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে।

দেয়াল, বড় আসবাব কিংবা অন্য কোনো বাধার আড়ালে রাউটার না রাখাই ভালো। পাশাপাশি মাইক্রোওয়েভের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির খুব কাছেও রাউটার রাখা উচিত নয়।

২. প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুততর ব্যান্ড ব্যবহার করুন

বর্তমানের অনেক রাউটারেই ২.৪GHz ও ৫GHz—দুই ধরনের ব্যান্ড ব্যবহারের সুবিধা থাকে।

সাধারণভাবে ৫GHz ব্যান্ড কাছাকাছি থাকা ডিভাইসে বেশি গতি দিতে পারে। তাই ভিডিও কল, অনলাইন গেমিং বা উচ্চগতির ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৫GHz কাজে লাগতে পারে।

অন্যদিকে, ২.৪GHz ব্যান্ড তুলনামূলক বেশি দূরত্বে সিগন্যাল পৌঁছাতে পারে এবং দেয়াল পেরোনোর ক্ষেত্রেও সুবিধা দিতে পারে। ফলে ডিভাইসের অবস্থান ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যান্ড বেছে নেয়া ভালো।

৩. রাউটার রিবুট করে দেখুন

ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মতো রাউটারেও কখনও কখনও সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ পর আবার চালু করলে সংযোগের কিছু সমস্যা দূর হতে পারে।

তবে নিয়ম করে কয়েক দিন পরপর রাউটার বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বরং সংযোগে সমস্যা দেখা দিলে বা রাউটার ঠিকমতো কাজ না করলে রিবুট করে দেখা যেতে পারে।

৪. অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সংযোগমুক্ত করুন

একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কতগুলো ডিভাইস যুক্ত রয়েছে, তা অনেক সময় ব্যবহারকারীরা খেয়াল করেন না। পুরোনো ফোন, ট্যাব, স্মার্ট টিভি বা অন্যান্য ডিভাইস প্রয়োজন না থাকলেও নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারে।

রাউটারের অ্যাপ বা সেটিংস থেকে সংযুক্ত ডিভাইসের তালিকা দেখে অপ্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলো সরিয়ে দেয়া যেতে পারে। এতে নেটওয়ার্কের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমানো সম্ভব।

৫. প্রয়োজন হলে রাউটার আপগ্রেড করুন

অনেক পুরোনো রাউটার নতুন প্রজন্মের ডিভাইস ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের সঙ্গে তাল মেলাতে নাও পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর রাউটারের হার্ডওয়্যার বা প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

তাই অন্যান্য সমাধান চেষ্টা করার পরও যদি ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজে সমস্যা থেকে যায়, তাহলে নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তি সমর্থন করে এমন রাউটারে আপগ্রেড করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।

এরপরও সমস্যা থাকলে

রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন, উপযুক্ত ব্যান্ড ব্যবহার, রিবুট এবং অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সরানোর পরও যদি ইন্টারনেটের সমস্যা থেকে যায়, তাহলে বিষয়টি শুধু ওয়াই-ফাই রাউটারের কারণে নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংযোগ, লাইনের সমস্যা কিংবা দুর্বল সিগন্যাল কভারেজের বিষয়টি পরীক্ষা করানো যেতে পারে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ