ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করলো বিসিবি Logo কেউ যেন সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে রেমিট্যান্সের শীর্ষে সৌদি আরব Logo শরীরের এই ৫ লক্ষণ হতে পারে ক্যানসারের আগাম ইঙ্গিত Logo ১৫০ বছর পর ডারউইনের ধারণাই সত্য, সন্ধান মিলল পোকা খেকো নতুন উদ্ভিদের Logo তিন বছরে ৪০০ এর বেশি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo সিরাজগঞ্জে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে কলেজছাত্রী নিহত, আহত ৩ Logo সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে মানসিক জড়তার লক্ষণ Logo ভেজালবিরোধী ৫০০ অভিযান, জরিমানা ২ কোটি ৪০ লাখ Logo ডিভিসি ও কংসাবতী বাঁধের পানি ছাড়ায় পশ্চিমবঙ্গে বন্যার শঙ্কা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে মানসিক জড়তার লক্ষণ

স্মার্টফোনের স্ক্রিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনর্থক ‘স্ক্রোলিং’ করা এবং তথ্যের অতিরিক্ত অপব্যবহার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অতিরিক্ত ইন্টারনেট আসক্তি এবং চটজলদি চটকদার কনটেন্ট দেখার কারণে মস্তিস্কের মনোযোগ ও চিন্তা করার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার এই বিশেষ অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ব্রেইন রট’ বা ‘মস্তিষ্কের জড়তা’।

যদিও এটি কোনো সুনির্দিষ্ট মেডিকেল কন্ডিশন বা রোগ নয়, তবে নিউরোসায়েন্সের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, এই ডিজটাল মাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মনোযোগের গভীরতা কমিয়ে দেয় এবং অবচেতনে তীব্র দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তোলে।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক পোর্টাল ‘হেলথ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে, যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডার চিকিৎসা-গবেষক লিন্ডসে কার্টিস বলেন, “স্ক্রিন টাইমের বাইরে বাস্তব পৃথিবীর কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মস্তিস্কের ক্ষয় রোধ করে বুদ্ধিমত্তা ও স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে ওষুধের মতো কাজ করে।”

‘ব্রেইন রট’ বা মস্তিষ্কের জড়তা চেনার প্রধান লক্ষণ

যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন নিউ হ্যাম্পশায়ার ইউনিভার্সিটির ‘সাইকোলজি’র অ্যাডজাঙ্কট’ অধ্যাপক ডা. জেরালিন ডেক্সটার বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিন দেখার পর যদি নিচে উল্লেখিত লক্ষণগুলো নিজের মাঝে প্রকাশ পায়, তবে বুঝতে হবে মস্তিস্ক অকাল বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে।”

যেকোনো জরুরি কাজে মনোযোগ দিতে কষ্ট বা অক্ষমতা অনুভব করা।
বাস্তব জীবনের মুখোমুখি সামাজিক যোগাযোগ বাদ দিয়ে অনবরত স্ক্রিনেই পড়ে থাকা।
মস্তিস্কের ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ, তীব্র বিষণ্ণতা ও অহেতুক দুশ্চিন্তা বা প্যানিক অ্যাটাক।
রাতে সহজে ঘুম না আসা বা মধ্যরাতে হঠাৎ অনবরত চিন্তা বা ‘ওভারথিংকিং’ শুরু হওয়া।
মস্তিস্ক তরুণ ও সতেজ রাখার নিয়ম

সোশ্যাল মিডিয়ায় দৈনিক সময় বেঁধে দেওয়া: অকারণে স্ক্রোলিং করলে মস্তিস্কের প্রোডাক্টিভিটি বা কাজ করার শক্তি চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়ম হল— দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের একটি কড়া ‘স্ক্রিন টাইম’ নির্দিষ্ট করা এবং অ্যাপসের সমস্ত নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা।

প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিটের মাইন্ডফুলনে: গবেষণায় প্রমাণিত যে, প্রতিদিন ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে ৪ সেকেন্ড নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে, ৪ সেকেন্ড আটকে রেখে মুখ দিয়ে ছাড়ার নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করলে, মস্তিস্কের ‘গ্রে ম্যাটার’ বা ধূসর পদার্থের ঘনত্ব বাড়িয়ে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ প্রখর করে।

সপ্তাহে ১৫০ মিনিটের শারীরিক কসরত: নিয়মিত মাঝারি তীব্রতার ব্যায়াম— যেমন দ্রুত হাঁটা, সাঁতার বা সাইকেল চালানো মস্তিস্কে ‘নিউরোপ্লাস্টিসিটি’র গতি সচল করে এবং চাপের হরমোন ‘কোর্টিসল’ কমিয়ে মগজের ক্লান্তি দূর করে।

দৈনিক ৩০ মিনিট বই পড়ার অভ্যাস: ‘শর্ট কনটেন্ট’ দেখার বদলে ছাপা কাগজের আস্ত বই পড়লে মস্তিস্কের ভাষা ও কল্পনাশক্তির এলাকাগুলোকে শক্তিশালী করে তোলে এবং বার্ধক্যজনিত ‘কগনিটিভ’ বা জ্ঞানীয় ক্ষয়ের ঝুঁকি দ্রুত হ্রাস করে।

মাল্টিটাস্কিং বর্জন ও পোমোডোরো মেথড: একসঙ্গে গান শোনা, চ্যাট করা ও কাজ করাকে চিকিৎসায় ক্ষতিকর বলা হয়, কারণ এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অবশ করে। এর পরিবর্তে ২৫ মিনিট শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজে নজর দিয়ে, ৫ মিনিটের ছোট বিরতি বা ‘পোমোডোরো’ নিয়ম মেনে চলা নিরাপদ।

ফিজিক্যাল বা অফলাইন আড্ডার পরিধি বাড়ানো: ভার্চুয়াল জগৎ ছেড়ে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে মুখোমুখি বসে কথা বললে মস্তিস্কের সমন্বয়কগুলো সচল হয়, যা বয়সজনিত আলঝেইমার’স বা স্মৃতিভ্রংশের গতি ধীর করে দেয়।

সাময়িক ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ থেরাপির বর্ম: সপ্তাহে বা মাসে অন্তত একটা নির্দিষ্ট দিন ল্যাপটপ-মোবাইল পুরোপুরি বন্ধ করে প্রকৃতির মাঝে কাটানো উচিত। এই পদ্ধতি মেজাজ ও ঘুমের মান রাতারাতি ফিরিয়ে আনে।

নতুন ও জটিল কোনো শখ বেছে নেওয়া: একটি নতুন ভাষা শেখা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো কিংবা ফটোগ্রাফির মতো জটিল কসরত মস্তিস্কের নিউরনের নতুন নতুন ‘সিন্যাপ্স’ বা সংযোগ তৈরি করে মগজকে বুড়ো হতে দেয় না।

দৈনিক ৩০ মিনিট প্রকৃতির মাঝে হাঁটা: সবুজ পার্ক, জঙ্গল বা মাটির সংস্পর্শে সময় কাটালে, মস্তিস্কের ‘ওভার-স্টিমুলেইশন’ বা ক্লান্তি দূর করে মতিষ্কের কার্যকারিতা ত্বরান্বিত করে।

হাতের কাজের সৃজনশীলতা: চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, বুনন বা যেকোনো সৃজনশীল শখ মস্তিস্কের ‘ডাইভারজেন্ট থিংকিং’ ক্ষমতা বাড়িয়ে চিন্তার জড়তা দূর করতে সাহায্য করে।

প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টার গভীর ঘুম: ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সমস্ত ‘স্ক্রিন’ বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। কারণ গভীর ঘুমের সময় মগজ নিজের ভেতরের ক্ষতিকর ক্যানসার ও আলঝেইমার’স-এর বিষ প্রাকৃতিকভাবে ধুয়ে সাফ করে দেয়।

ওমেগা-৩ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ডায়েট: অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত জাঙ্ক ফুড মস্তিস্কের বার্ধক্যের গতি বাড়ায়। এর প্রতিকারে খাদ্যতালিকায় তাজা সামুদ্রিক মাছ, কাঠবাদাম, সবুজ শাকসবজি ও বেরিধর্মী ফল রাখা উপকারী।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করলো বিসিবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে মানসিক জড়তার লক্ষণ

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্মার্টফোনের স্ক্রিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনর্থক ‘স্ক্রোলিং’ করা এবং তথ্যের অতিরিক্ত অপব্যবহার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অতিরিক্ত ইন্টারনেট আসক্তি এবং চটজলদি চটকদার কনটেন্ট দেখার কারণে মস্তিস্কের মনোযোগ ও চিন্তা করার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার এই বিশেষ অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ব্রেইন রট’ বা ‘মস্তিষ্কের জড়তা’।

যদিও এটি কোনো সুনির্দিষ্ট মেডিকেল কন্ডিশন বা রোগ নয়, তবে নিউরোসায়েন্সের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, এই ডিজটাল মাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মনোযোগের গভীরতা কমিয়ে দেয় এবং অবচেতনে তীব্র দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তোলে।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক পোর্টাল ‘হেলথ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে, যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডার চিকিৎসা-গবেষক লিন্ডসে কার্টিস বলেন, “স্ক্রিন টাইমের বাইরে বাস্তব পৃথিবীর কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মস্তিস্কের ক্ষয় রোধ করে বুদ্ধিমত্তা ও স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে ওষুধের মতো কাজ করে।”

‘ব্রেইন রট’ বা মস্তিষ্কের জড়তা চেনার প্রধান লক্ষণ

যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন নিউ হ্যাম্পশায়ার ইউনিভার্সিটির ‘সাইকোলজি’র অ্যাডজাঙ্কট’ অধ্যাপক ডা. জেরালিন ডেক্সটার বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিন দেখার পর যদি নিচে উল্লেখিত লক্ষণগুলো নিজের মাঝে প্রকাশ পায়, তবে বুঝতে হবে মস্তিস্ক অকাল বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে।”

যেকোনো জরুরি কাজে মনোযোগ দিতে কষ্ট বা অক্ষমতা অনুভব করা।
বাস্তব জীবনের মুখোমুখি সামাজিক যোগাযোগ বাদ দিয়ে অনবরত স্ক্রিনেই পড়ে থাকা।
মস্তিস্কের ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ, তীব্র বিষণ্ণতা ও অহেতুক দুশ্চিন্তা বা প্যানিক অ্যাটাক।
রাতে সহজে ঘুম না আসা বা মধ্যরাতে হঠাৎ অনবরত চিন্তা বা ‘ওভারথিংকিং’ শুরু হওয়া।
মস্তিস্ক তরুণ ও সতেজ রাখার নিয়ম

সোশ্যাল মিডিয়ায় দৈনিক সময় বেঁধে দেওয়া: অকারণে স্ক্রোলিং করলে মস্তিস্কের প্রোডাক্টিভিটি বা কাজ করার শক্তি চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়ম হল— দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের একটি কড়া ‘স্ক্রিন টাইম’ নির্দিষ্ট করা এবং অ্যাপসের সমস্ত নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা।

প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিটের মাইন্ডফুলনে: গবেষণায় প্রমাণিত যে, প্রতিদিন ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে ৪ সেকেন্ড নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে, ৪ সেকেন্ড আটকে রেখে মুখ দিয়ে ছাড়ার নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করলে, মস্তিস্কের ‘গ্রে ম্যাটার’ বা ধূসর পদার্থের ঘনত্ব বাড়িয়ে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ প্রখর করে।

সপ্তাহে ১৫০ মিনিটের শারীরিক কসরত: নিয়মিত মাঝারি তীব্রতার ব্যায়াম— যেমন দ্রুত হাঁটা, সাঁতার বা সাইকেল চালানো মস্তিস্কে ‘নিউরোপ্লাস্টিসিটি’র গতি সচল করে এবং চাপের হরমোন ‘কোর্টিসল’ কমিয়ে মগজের ক্লান্তি দূর করে।

দৈনিক ৩০ মিনিট বই পড়ার অভ্যাস: ‘শর্ট কনটেন্ট’ দেখার বদলে ছাপা কাগজের আস্ত বই পড়লে মস্তিস্কের ভাষা ও কল্পনাশক্তির এলাকাগুলোকে শক্তিশালী করে তোলে এবং বার্ধক্যজনিত ‘কগনিটিভ’ বা জ্ঞানীয় ক্ষয়ের ঝুঁকি দ্রুত হ্রাস করে।

মাল্টিটাস্কিং বর্জন ও পোমোডোরো মেথড: একসঙ্গে গান শোনা, চ্যাট করা ও কাজ করাকে চিকিৎসায় ক্ষতিকর বলা হয়, কারণ এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অবশ করে। এর পরিবর্তে ২৫ মিনিট শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজে নজর দিয়ে, ৫ মিনিটের ছোট বিরতি বা ‘পোমোডোরো’ নিয়ম মেনে চলা নিরাপদ।

ফিজিক্যাল বা অফলাইন আড্ডার পরিধি বাড়ানো: ভার্চুয়াল জগৎ ছেড়ে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে মুখোমুখি বসে কথা বললে মস্তিস্কের সমন্বয়কগুলো সচল হয়, যা বয়সজনিত আলঝেইমার’স বা স্মৃতিভ্রংশের গতি ধীর করে দেয়।

সাময়িক ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ থেরাপির বর্ম: সপ্তাহে বা মাসে অন্তত একটা নির্দিষ্ট দিন ল্যাপটপ-মোবাইল পুরোপুরি বন্ধ করে প্রকৃতির মাঝে কাটানো উচিত। এই পদ্ধতি মেজাজ ও ঘুমের মান রাতারাতি ফিরিয়ে আনে।

নতুন ও জটিল কোনো শখ বেছে নেওয়া: একটি নতুন ভাষা শেখা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো কিংবা ফটোগ্রাফির মতো জটিল কসরত মস্তিস্কের নিউরনের নতুন নতুন ‘সিন্যাপ্স’ বা সংযোগ তৈরি করে মগজকে বুড়ো হতে দেয় না।

দৈনিক ৩০ মিনিট প্রকৃতির মাঝে হাঁটা: সবুজ পার্ক, জঙ্গল বা মাটির সংস্পর্শে সময় কাটালে, মস্তিস্কের ‘ওভার-স্টিমুলেইশন’ বা ক্লান্তি দূর করে মতিষ্কের কার্যকারিতা ত্বরান্বিত করে।

হাতের কাজের সৃজনশীলতা: চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, বুনন বা যেকোনো সৃজনশীল শখ মস্তিস্কের ‘ডাইভারজেন্ট থিংকিং’ ক্ষমতা বাড়িয়ে চিন্তার জড়তা দূর করতে সাহায্য করে।

প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টার গভীর ঘুম: ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সমস্ত ‘স্ক্রিন’ বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। কারণ গভীর ঘুমের সময় মগজ নিজের ভেতরের ক্ষতিকর ক্যানসার ও আলঝেইমার’স-এর বিষ প্রাকৃতিকভাবে ধুয়ে সাফ করে দেয়।

ওমেগা-৩ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ডায়েট: অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত জাঙ্ক ফুড মস্তিস্কের বার্ধক্যের গতি বাড়ায়। এর প্রতিকারে খাদ্যতালিকায় তাজা সামুদ্রিক মাছ, কাঠবাদাম, সবুজ শাকসবজি ও বেরিধর্মী ফল রাখা উপকারী।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস