ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত পণ্য খালাস এবং আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত করতে নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সমুদ্রবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখার সময় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

এর আগে আজ সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট, হিরণ পয়েন্ট ও ত্রিকোণ আইল্যান্ড-সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখান থেকে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটি যান সরকারপ্রধান। সেখান থেকে সরাসরি যান মোংলা বন্দরে। এ সময় বন্দরের কর্তৃপক্ষের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে মোংলা ও আশপাশের এলাকায় আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সংস্কার করা হয় ভাঙাচোরা সড়ক। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় জেটি, নৌযান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীও বন্দর এলাকায় জড়ো হন।

এদিকে, বন্দর থেকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যাওয়ার পথে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে অপেক্ষায় দেখে প্রটোকল ভেঙে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিতদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখে এবং সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রায় আট ঘণ্টার বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষ করে ঢাকায় ফিরেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১০:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত পণ্য খালাস এবং আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত করতে নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সমুদ্রবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখার সময় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

এর আগে আজ সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট, হিরণ পয়েন্ট ও ত্রিকোণ আইল্যান্ড-সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখান থেকে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটি যান সরকারপ্রধান। সেখান থেকে সরাসরি যান মোংলা বন্দরে। এ সময় বন্দরের কর্তৃপক্ষের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে মোংলা ও আশপাশের এলাকায় আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সংস্কার করা হয় ভাঙাচোরা সড়ক। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় জেটি, নৌযান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীও বন্দর এলাকায় জড়ো হন।

এদিকে, বন্দর থেকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যাওয়ার পথে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে অপেক্ষায় দেখে প্রটোকল ভেঙে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিতদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখে এবং সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রায় আট ঘণ্টার বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষ করে ঢাকায় ফিরেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস