ব্রিটনি স্পিয়ার্সের জীবনের গল্প নিয়ে ছবি হচ্ছে—এই খবরটি পুরনো। কিন্তু ভক্তদের মনে এখন একটাই লাখ টাকার প্রশ্ন, পপ কুইন ব্রিটনির জুতোয় পা গলাচ্ছেন কে? বিশ্বখ্যাত ইউনিভার্সাল পিকচার্স যখন ব্রিটনির স্মৃতিকথা ‘দ্য ওম্যান ইন মি’-এর স্বত্ব কিনে নেয়, তখন থেকেই হলিউডজুড়ে কাস্টিং নিয়ে উত্তেজনা চরমে।
বেশ কয়েকজন তারকার নাম আলোচনায় থাকলেও কাউকে কেন্দ্র করেই বিতর্ক থামছে না।
তালিকায় বর্তমানে শীর্ষে রয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী সিডনি সুইনি। তার পরিচিতি, অভিনয়ের বৈচিত্র্য এবং পপ তারকার ভাবমূর্তির কারণে নির্মাতারা তাঁকে প্রাথমিক পছন্দ হিসেবে রাখলেও, ভক্তদের একাংশের প্রতিক্রিয়া খুব একটা ইতিবাচক নয়। অনেকেরই প্রশ্ন—স্টেজে ব্রিটনির নাচ ও পারফরম্যান্স তুলে ধরার মতো দক্ষতা সিডনির আছে কি না।
এ ছাড়া ‘স্ট্রেনঞ্জার থিংস’ খ্যাত অভিনেত্রী মিলি ববি ব্রাউন দীর্ঘ দিন ধরেই প্রকাশ্যে এই চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। তবে তার ইচ্ছার জবাবে স্পিয়ার্স যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান, তখন ব্রাউন খানিকটা পিছু হটেন। তা সত্ত্বেও চূড়ান্ত তালিকায় এখনো তার শক্ত অবস্থান রয়েছে।
টিকটক থেকে সংগীতে এসে খ্যাতি পাওয়া অ্যাডিসন রে এই দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন।
ব্রিটনির মতোই লুইজিয়ানার বাসিন্দা হওয়ায় এবং নাচ ও গানে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকায় অনেকের পছন্দ তিনিই। তালিকায় থাকা অন্য নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী বেইলি ম্যাডিসন এবং টিকটকে ব্রিটনির নাচ অনুকরণ করে পরিচিতি পাওয়া ইথাকা কলেজের শিক্ষার্থী কাইলি শুল্টজ।
ছবিটির জন্য ক্যামেরার পেছনের দল ইতোমধ্যেই গঠিত হয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন জন এম. চু এবং প্রযোজনা করবেন মার্ক প্ল্যাট। অন্যদিকে এর চিত্রনাট্য লেখার দায়িত্বে রয়েছেন লিজ মেরিওয়েদার।
সংবাদমাধ্যম ও মিডিয়ার তীব্র মনোযোগের মধ্যে স্পিয়ার্সের লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরাই এই ছবির মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।
শুরুর দিকে ছবিটি নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা থাকলেও বর্তমানে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে। জানা গেছে, বায়োপিকটি তৈরিতে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। ফলে নির্মাতারা যাকেই নির্বাচন করুন না কেন, শেষ পর্যন্ত পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নিজস্ব অনুমোদন পাওয়াটাই কাস্টিংয়ের প্রধান শর্ত হয়ে দাঁড়াবে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ





























