ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শরীরের এই ৫ লক্ষণ হতে পারে ক্যানসারের আগাম ইঙ্গিত Logo ১৫০ বছর পর ডারউইনের ধারণাই সত্য, সন্ধান মিলল পোকা খেকো নতুন উদ্ভিদের Logo তিন বছরে ৪০০ এর বেশি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo সিরাজগঞ্জে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে কলেজছাত্রী নিহত, আহত ৩ Logo সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে মানসিক জড়তার লক্ষণ Logo ভেজালবিরোধী ৫০০ অভিযান, জরিমানা ২ কোটি ৪০ লাখ Logo ডিভিসি ও কংসাবতী বাঁধের পানি ছাড়ায় পশ্চিমবঙ্গে বন্যার শঙ্কা Logo সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস Logo পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন নাটক—বাদ পড়াদের নিয়েই রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ Logo প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে, তদবিরের সুযোগ নেই: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। এখন আর তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ৭ বছর ৫ মাস পর এসে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। সেই নির্বাচনে জিএস পদে আগের ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে। আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি মেধাবী প্রশাসন গঠন এবং কোটাবৈষম্য দূর করা। আজকের বাংলাদেশে চাকরিতে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না।

ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হয়েও দীর্ঘ প্রায় সাড়ে সাত বছর পর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার’ কথা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অন্যায় করে কেউ যে পার পায় না, সেটা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরা আজ টের পাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করে ন্যায়বিচারের নজির স্থাপন করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, সেটা বজায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। কোনো মহল যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

শরীরের এই ৫ লক্ষণ হতে পারে ক্যানসারের আগাম ইঙ্গিত

যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে, তদবিরের সুযোগ নেই: রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় ০৫:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। এখন আর তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ৭ বছর ৫ মাস পর এসে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। সেই নির্বাচনে জিএস পদে আগের ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে। আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি মেধাবী প্রশাসন গঠন এবং কোটাবৈষম্য দূর করা। আজকের বাংলাদেশে চাকরিতে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না।

ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হয়েও দীর্ঘ প্রায় সাড়ে সাত বছর পর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার’ কথা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অন্যায় করে কেউ যে পার পায় না, সেটা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরা আজ টের পাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করে ন্যায়বিচারের নজির স্থাপন করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, সেটা বজায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। কোনো মহল যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ