ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী Logo এসিল্যান্ড হলেন ৬২ কর্মকর্তা, তালিকা প্রকাশ Logo বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখলে অর্ধেক মশার লার্ভা শুরুতেই ধ্বংস সম্ভব : ডিএসসিসি Logo হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি খাতে অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি Logo মানহীন মেডিকেল কলেজ আর কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে ফ্যাসিস্ট দলের উসকানি আছে Logo জামায়াত-শিবিরকে প্রতিরোধের ডাক মুক্তিযোদ্ধাদের Logo লুট করা স্বর্ণের ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধে মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যা Logo অর্থকষ্ট ও ঋণমুক্তিতে নবীজির শেখানো ৫টি আমল Logo আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ : রিজভী

আজ জেলহত্যা দিবস

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। কারাগারে বন্দি অবস্থায় ৫১ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে। এ হত্যার ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা আট এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন।

সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই অধরা। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন।

দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

আজ জেলহত্যা দিবস

আপডেট সময় ১০:১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। কারাগারে বন্দি অবস্থায় ৫১ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে। এ হত্যার ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা আট এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন।

সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই অধরা। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন।

দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ