ক্ষমতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতার কারণে বিএনপির নিজস্ব নেতাকর্মীরাও এখন নিরাপদ নন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। প্রতিহিংসা ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে দাবি করেন তিনি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন সাদিক কায়েম। নাটোর পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিএনপিকে ‘সন্ত্রাসের রাজনীতি’ বন্ধ এবং অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
পোস্টে সাদিক কায়েম দাবি করেন, জুলাই বিপ্লবের পর থেকে বিএনপির সন্ত্রাসী রাজনীতির শিকার হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। মিটফোর্ডে পাথরকাণ্ডে নিহত সোহাগের ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এবার নিজ দলের নেতাকর্মীদের হাতেই প্রাণ হারিয়েছেন নাটোর পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম।’
বিএনপির এক সংসদ সদস্যের দুই ছেলের বিরোধের জেরে শাকিলকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শাকিল হত্যাকাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাদিক কায়েম। তার ভাষ্য, স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা নিহত হওয়ার পরও দলটির নীরবতা বিস্ময়কর। প্রতিবাদ যদি দলীয় স্বার্থ ও রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে, তাহলে ক্ষমতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি দেশের জন্য আরও ক্ষতিকর হয়ে উঠবে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, খুন ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগও তোলেন ডাকসুর ভিপি। তিনি দাবি করেন, গত দুই বছরে দলটির বেপরোয়া রাজনীতিতে দেশবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। তার অভিযোগ, গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেও নামমাত্র বহিষ্কারের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
সাদিক কায়েম বলেন, ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিএনপির নিজস্ব নেতাকর্মীরাও নিরাপদ নন।’
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















