ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চাই: মীর শাহে আলম

২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সমবায় ভবনে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণের পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা গেলে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে থাকা ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের ব্যবধান পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির পর সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের পরিকল্পনা সফল হলে দেশে আর লোডশেডিং থাকবে না বলে আশা করছে সরকার।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের জন্য বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের বিষয়েও কথা বলেন মীর শাহে আলম। তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এ সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কমে ৬ থেকে ৭ টাকায় নেমে আসতে পারে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় ছাদগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আয় করারকরা সম্ভব বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করেন তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চাই: মীর শাহে আলম

আপডেট সময় ০৭:৩২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সমবায় ভবনে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণের পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা গেলে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে থাকা ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের ব্যবধান পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির পর সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের পরিকল্পনা সফল হলে দেশে আর লোডশেডিং থাকবে না বলে আশা করছে সরকার।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের জন্য বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের বিষয়েও কথা বলেন মীর শাহে আলম। তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এ সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কমে ৬ থেকে ৭ টাকায় নেমে আসতে পারে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় ছাদগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আয় করারকরা সম্ভব বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করেন তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ