ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ Logo পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়ার সমঝোতা স্মারক সই Logo প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ভেজাল শিশুখাদ্য তৈরি, কারখানা মালিকের ২ বছরের কারাদণ্ড Logo আবরার হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী Logo নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ Logo বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল রূপপুরের প্রথম ইউনিট Logo শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ Logo প্রত্যাগত অভিবাসীদের পুনর্বাসনে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগ

ইরান যুদ্ধে ৮১ ফাইটার, ড্রোন ও হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি সামরিক বিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ক্ষয়ক্ষতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে।

দ্য নিউইর্য়ক পোস্টের প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক কয়েকটি যুদ্ধবিমানও রয়েছে। এর মধ্যে একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং-২ স্টেলথ ফাইটার এবং ১২টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর আগে ২ মার্চ কুয়েতের আকাশে নিজেদের গুলিতে ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি দামের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়।

পরের মাসে ইরানের আকাশেও আরো একটি বিমান ভূপাতিত হয়।

সেপ্টেম্বরের ৯ ও ১০ তারিখ জর্দানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আরো আটটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলো মেরামতের পর আবার কাজে ফিরেছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরো বড় ক্ষতি হয়েছে।

অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস বা হারিয়েছে দেশটি। প্রতিটি ড্রোনের দাম প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি ডলার। ক্ষয়ক্ষতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের বহুমুখী ড্রোনের সংখ্যা কমে ১৩৫টিতে নেমে এসেছে বলে মার্কিন বিমানবাহিনীর এক জেনারেল মে মাসে সিনেটকে এ তথ্য জানিয়েছিলেন। এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন নজরদারি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, দুই কাজেই ব্যবহার করা যায়।

এয়ার ফোর্স টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর কাছে যেকোনো সময় অন্তত ১৮৯টি রিপার ড্রোন মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার কথা।

এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাবের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম আধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫এ-ও রয়েছে। ৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি দামের এই পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানটি ১৯ মার্চ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২৭ কোটি ডলার মূল্যের একটি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমানও ধ্বংস হয়েছে। এটি পুরোনো হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নজরদারি বিমান। বোয়িং ৭০৭ উড়োজাহাজের ভিত্তিতে এটি তৈরি করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশটির কাছে এ ধরনের ৩২টি বিমান সক্রিয় ছিল। যুক্তরাষ্ট্র এপ্রিল মাসে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২ যুদ্ধবিমান হারায়। পরে সেপ্টেম্বরে জর্দানে হামলার সময় আরও একটি এ-১০ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ

ইরান যুদ্ধে ৮১ ফাইটার, ড্রোন ও হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৪:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি সামরিক বিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ক্ষয়ক্ষতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে।

দ্য নিউইর্য়ক পোস্টের প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক কয়েকটি যুদ্ধবিমানও রয়েছে। এর মধ্যে একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং-২ স্টেলথ ফাইটার এবং ১২টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর আগে ২ মার্চ কুয়েতের আকাশে নিজেদের গুলিতে ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি দামের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়।

পরের মাসে ইরানের আকাশেও আরো একটি বিমান ভূপাতিত হয়।

সেপ্টেম্বরের ৯ ও ১০ তারিখ জর্দানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আরো আটটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলো মেরামতের পর আবার কাজে ফিরেছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরো বড় ক্ষতি হয়েছে।

অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস বা হারিয়েছে দেশটি। প্রতিটি ড্রোনের দাম প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি ডলার। ক্ষয়ক্ষতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের বহুমুখী ড্রোনের সংখ্যা কমে ১৩৫টিতে নেমে এসেছে বলে মার্কিন বিমানবাহিনীর এক জেনারেল মে মাসে সিনেটকে এ তথ্য জানিয়েছিলেন। এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন নজরদারি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, দুই কাজেই ব্যবহার করা যায়।

এয়ার ফোর্স টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর কাছে যেকোনো সময় অন্তত ১৮৯টি রিপার ড্রোন মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার কথা।

এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাবের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম আধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫এ-ও রয়েছে। ৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি দামের এই পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানটি ১৯ মার্চ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২৭ কোটি ডলার মূল্যের একটি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমানও ধ্বংস হয়েছে। এটি পুরোনো হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নজরদারি বিমান। বোয়িং ৭০৭ উড়োজাহাজের ভিত্তিতে এটি তৈরি করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশটির কাছে এ ধরনের ৩২টি বিমান সক্রিয় ছিল। যুক্তরাষ্ট্র এপ্রিল মাসে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২ যুদ্ধবিমান হারায়। পরে সেপ্টেম্বরে জর্দানে হামলার সময় আরও একটি এ-১০ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ