ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদায় ফুটবলের যাদুকর

গত ২৩ জুলাই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে প্রিয় অধিনায়ক লিওনেল মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের আবেগ উপেক্ষা করতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার। সতীর্থের বিদায়ি মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে আবারও আলবিসেলেস্তেদের নীল-সাদা জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

আর ফিরে এসেই বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম মাতিয়ে তুললেন এক চোখধাঁধানো গোলে। প্রথমার্ধের অচলাবস্থা কাটানোর পাশাপাশি বন্ধু মেসির সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার আবেগঘন এক মুহূর্ত উপহার দিলেন তিনি।

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম অর্ধে একাধিক আক্রমণ চালিয়েও জালের দেখা পায়নি আর্জেন্টিনা। তবে বিরতির পর মাঠে ফিরতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৪৮তম মিনিটে পাওয়া কর্নারে নিখুঁত এক ক্রস বাড়ান মেসি। প্রতিপক্ষের বক্সে থাকা ওতামেন্দি সেই বলটিকে দুর্দান্ত এক ভলিতে প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে দেন।

মেসির মাপা কর্নার আর ওতামেন্দির নিখুঁত শটে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম। গোল করার ঠিক দুই মিনিট পরই কোচ তাকে তুলে নিলে দর্শনীয় এক গোল নিয়ে মাঠ ছাড়েন এই তারকা ফুটবলার।

ওতামেন্দির উঠে যাওয়ার পরও আক্রমণে আধিপত্য ধরে রাখে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৬১তম মিনিটে আবারও দেখা যায় মেসির পায়ের জাদু। মাঠের ডান প্রান্ত থেকে বক্সে দারুণ এক বল বাড়ান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। সেখান থেকে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তরুণ প্রতিভাবান নিকো পাজ। অধিনায়কের দুই চমৎকার অ্যাসিস্ট ও সতীর্থদের লক্ষ্যভেদে এক স্মরণীয় জয় সুনিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর পর কেবল নিজের একটি গোলের অপেক্ষা ছিল। ৬৮ মিনিটে সেই স্বপ্নও পূরণ হয়। বক্সের ভেতর আগুস্তিন গিয়াইকে বেনিনের তামিমু উওরু ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান চিলির রেফারি। স্পট কিকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজের বিদায়ি ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখেন মেসি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

বিদায় ফুটবলের যাদুকর

আপডেট সময় ০৭:৩২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

গত ২৩ জুলাই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে প্রিয় অধিনায়ক লিওনেল মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের আবেগ উপেক্ষা করতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার। সতীর্থের বিদায়ি মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে আবারও আলবিসেলেস্তেদের নীল-সাদা জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

আর ফিরে এসেই বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম মাতিয়ে তুললেন এক চোখধাঁধানো গোলে। প্রথমার্ধের অচলাবস্থা কাটানোর পাশাপাশি বন্ধু মেসির সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার আবেগঘন এক মুহূর্ত উপহার দিলেন তিনি।

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম অর্ধে একাধিক আক্রমণ চালিয়েও জালের দেখা পায়নি আর্জেন্টিনা। তবে বিরতির পর মাঠে ফিরতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৪৮তম মিনিটে পাওয়া কর্নারে নিখুঁত এক ক্রস বাড়ান মেসি। প্রতিপক্ষের বক্সে থাকা ওতামেন্দি সেই বলটিকে দুর্দান্ত এক ভলিতে প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে দেন।

মেসির মাপা কর্নার আর ওতামেন্দির নিখুঁত শটে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম। গোল করার ঠিক দুই মিনিট পরই কোচ তাকে তুলে নিলে দর্শনীয় এক গোল নিয়ে মাঠ ছাড়েন এই তারকা ফুটবলার।

ওতামেন্দির উঠে যাওয়ার পরও আক্রমণে আধিপত্য ধরে রাখে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৬১তম মিনিটে আবারও দেখা যায় মেসির পায়ের জাদু। মাঠের ডান প্রান্ত থেকে বক্সে দারুণ এক বল বাড়ান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। সেখান থেকে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তরুণ প্রতিভাবান নিকো পাজ। অধিনায়কের দুই চমৎকার অ্যাসিস্ট ও সতীর্থদের লক্ষ্যভেদে এক স্মরণীয় জয় সুনিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর পর কেবল নিজের একটি গোলের অপেক্ষা ছিল। ৬৮ মিনিটে সেই স্বপ্নও পূরণ হয়। বক্সের ভেতর আগুস্তিন গিয়াইকে বেনিনের তামিমু উওরু ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান চিলির রেফারি। স্পট কিকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজের বিদায়ি ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখেন মেসি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস