ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo এমপি পদ ছাড়ার পর এবার দল থেকেও পদত্যাগ করতে হচ্ছে মিষ্টিকে Logo অবিলম্বে মেজর (অব.) আখতারের মুক্তি চাইলেন জামায়াত আমির Logo ভিসা আবেদনে সহায়তা কর‌তে ঢাকায় আসছে রোমানিয়ার প্রতিনিধিদল Logo সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক Logo একটি মহল দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা স্বপন Logo কোরিয়ার সঙ্গে সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক স্থাপনের আশা হুমায়ুনের Logo ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন Logo বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই Logo ধর্ষণের অভিযোগে ৭০ বছরের বৃদ্ধের বাড়িতে ৬২ বছরের বৃদ্ধার অনশন Logo ঠুনকো অজুহাতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার ভালো লক্ষণ নয়: সেলিম উদ্দিন

গুমের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ অক্টোবর

টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমান ও সাবেক ১২ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৩ অক্টোবর দিন রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার সাত নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সাক্ষী না আসায় প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে র‍্যাবের টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৭ আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলছে। এই মামলার ১০ আসামি ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে আছেন।

তারা হলেন—র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল কে এম আজাদ, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

এই মামলার আরও সাত আসামি পলাতক।

তারা হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (সাবেক আইজিপি), র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন ও র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক মো. হারুন অর রশিদ এবং র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর বিচার শুরু হয়।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

এমপি পদ ছাড়ার পর এবার দল থেকেও পদত্যাগ করতে হচ্ছে মিষ্টিকে

গুমের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ অক্টোবর

আপডেট সময় ০৯:১১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমান ও সাবেক ১২ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৩ অক্টোবর দিন রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার সাত নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সাক্ষী না আসায় প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে র‍্যাবের টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৭ আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলছে। এই মামলার ১০ আসামি ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে আছেন।

তারা হলেন—র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল কে এম আজাদ, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

এই মামলার আরও সাত আসামি পলাতক।

তারা হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (সাবেক আইজিপি), র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন ও র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক মো. হারুন অর রশিদ এবং র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর বিচার শুরু হয়।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস