নাশকতায় সম্পৃক্ততা, পাসপোর্ট, এনআইডি ও ড্রাইভিং লাইসেন্সে জন্ম তারিখের ভিন্নতা এবং অসংলগ্ন তথ্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার গুপ্তচরবৃত্তি আইনে মামলা করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার রবিউলকে দুই দফার রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে দাবি করে তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি আইনের কয়েকটি ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়।
একই সঙ্গে তাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ আইনের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন আদালত।
এর আগে গত বুধবার ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রবিউলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগের এসআই বিনয় কুমার রায়। ওইদিন তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
পরে দ্বিতীয় দফায় আরো চারদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, রবিউল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মাটিয়া থানার গৌড়িভোজ গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ইসলামের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোডের ৬০ নম্বর বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, রবিউল গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে।
এরপর তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাসপোর্ট দেখালেও পরবর্তীতে তার কাছে থাকা ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি পরীক্ষা করা হয়। এতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডিতে থাকা জন্ম তারিখের সঙ্গে পাসপোর্টের জন্ম তারিখের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
রবিউল এর আগেও একাধিকবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করলেও এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেননি। একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিয়ে তিনি তদন্তে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রবিউল বাংলাদেশে কোনো ধর্তব্য অপরাধ বা সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে প্রবলভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















