ভারতের মুম্বাইয়ে নিজ বাসভবনে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মধ্যরাতে দুষ্কৃতকারীদের হাতে হামলার শিকার হয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। সেই ভয়াবহ ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আতঙ্ক এখনো পুরোপুরি কাটেনি তার।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই ঘটনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে অভিনেতা জানান, কোনো ধারালো অস্ত্র বা ছুরি দেখলেই এখনো মানসিক আতঙ্কে ভোগেন তিনি।
হামলাকারীর ওপর কোনো দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ না রেখে সাইফ বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা মূলত আর্থিক বৈষম্যের কারণে ঘটে। আমার মনে হয় না লোকটি বুঝতে পেরেছিল সে কী করছে। চাইলে আমি তাকে ক্ষমা করে দিতে পারি।
জীবনের শেষ মুহূর্ত ভেবে হাসপাতালে শুয়ে তার মনে হয়েছিল, জীবনটা তার মন্দ কাটেনি। সেই অভিজ্ঞতা পুরো জীবন সম্পর্কে তার মানসিকতা বদলে দিয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনা তার স্ত্রী কারিনা কাপুর খানের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলেছিল, যদিও পরবর্তীতে তারা মানসিকভাবে পরিস্থিতি সামলে ওঠেন।
ঘটনার দিন সাইফের শরীরে মোট ছয়টি আঘাত লেগেছিল।
ছুরিকাঘাতে তার ঘাড়, বাম হাত ও মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অস্ত্রোপচারের পর পাঁচ দিন চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়ি ফেরেন। সাইফ জানান, হামলার সময় তিনি খুবই ভাগ্যবান ছিলেন, কারণ টানাটানির একপর্যায়ে হামলাকারীর ছুরিটি ভেঙে যায়। ছুরিটি আরো ধারালো হলে পরিস্থিতি প্রাণঘাতী হতে পারত। মেরুদণ্ডে আঘাত লাগায় কিছু সময়ের জন্য পায়ে কোনো অনুভূতি ছিল না, তবে বড় ধরনের পক্ষাঘাত বা স্থায়ী ক্ষতি থেকে তিনি বেঁচে যান।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ




























