ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo একসাথে নেই সৃজিত-মিথিলা, বিচ্ছেদের ইঙ্গিত দিলেন নিজেই Logo যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি এড়িয়ে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার স্থানান্তর করেছে ইরান Logo দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি, আসামি মঞ্জুরুল রিমান্ডে Logo দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর জমির দখল বুঝিয়ে পেলেন লিপি রাণী সরকার Logo কুষ্টিয়ায় নৈশপ্রহরীদের বেঁধে স্বর্ণের দোকানসহ ৫ প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo মৈত্রী এক্সপ্রেস নিয়ে খুব শিগগিরই ভালো খবর দিতে পারব: ভারতীয় হাইকমিশনার Logo আওয়ামী লীগ-অন্তর্বর্তীসহ বর্তমান সরকারের দুর্নীতির হিসাব খতিয়ে দেখবে সরকারি হিসাব কমিটি: তাহের Logo ‘ওরা বড্ড জঘন্য’— ইপিএল থেকে ফিরে লা লিগার দল নিয়ে রদ্রি Logo আগাথা ক্রিস্টির সৃষ্টি ‘পোয়ারো’ এবার নতুন রূপে পর্দায়

ইয়েমেনের কারাগারে সৌদির বিমান হামলার অভিযোগ, শিশুসহ নিহত ৭

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের একটি কারাগারে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। সোমবারের ওই হামলায় এক শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে।

আহত হয়েছে আরো অন্তত সাতজন। আহতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন বলে জানিয়েছে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাওফ প্রদেশের কৌশলগত শহর হাজমে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে হামলাটি চালানো হয়। হুতিদের অভিযোগ, সৌদি আরব এই হামলা চালিয়েছে।

তবে সৌদি আরবের গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে হামলার অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হুতি পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি বলেন, হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। হুতি পরিচালিত সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাকে কারাগারের ওয়ার্ডেন জানান, হামলায় ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ৩৫ জন বন্দী আটকা পড়েছেন।

এ ছাড়া স্বামীকে দেখতে কারাগারে যাওয়া এক নারীও সেখানে আটকা পড়েছেন বলে তিনি জানান।

আল-মাসিরা হামলার পরের একটি ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে একটি ভবনের ধসে পড়া অংশ, ভাঙা কংক্রিট ও ধ্বংসস্তূপ দেখা যায়। ভিডিওতে কয়েকজনকে ধ্বংসস্তূপের ওপর সতর্কভাবে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে উদ্ধারকারী দলের সদস্য বলে মনে হওয়া কয়েকজনও ছিলেন।

তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খুঁজছিলেন। হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে জাওফে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ করেছেন। তিনি এই হামলাকে ‘গণহত্যা’ বলেও উল্লেখ করেন। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নজরদারি ড্রোন মোতায়েন এবং হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করা যোদ্ধাদের বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

ইয়াহিয়া সারি বলেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের চলমান সামরিক কর্মকাণ্ডের জবাব দেওয়া হবে এবং এর জন্য সৌদি আরবকে ‘শাস্তি’ দেওয়া হবে। পরে সোমবার তিনি দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হুতি বাহিনী সৌদি আরবের চারটি নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি সোমবার সকালে ইয়েমেনের বাইদা প্রদেশে দেখা গিয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে হুতিদের এসব দাবির বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কারাগারে হামলার ঘটনা এমন সময়ে ঘটল, যখন ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে অগ্রসর হচ্ছে।

সরকারপন্থী বাহিনী জাওফ, বাইদা, দালে ও মারিবসহ একাধিক এলাকায় হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে হুতি বিদ্রোহী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। এই যুদ্ধে সৌদি আরবও সরাসরি জড়িয়ে পড়েছিল। ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে। ওই বছর হুতিরা তাদের উত্তরাঞ্চলীয় শক্ত ঘাঁটি থেকে বেরিয়ে রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার রাজধানী ছেড়ে প্রথমে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে এবং পরে সৌদি আরবে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। সরকারকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট ইয়েমেনের যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে। এরপর সংঘাত আরো বড় আকার নেয়।

এই যুদ্ধে একদিকে হুতিদের সমর্থন দিয়েছে ইরান, অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন করেছে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ। ইয়েমেনের চলমান যুদ্ধে কারাগার ও বন্দিশিবিরে হামলার ঘটনা নতুন নয়। ২০২২ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের সাদা প্রদেশের একটি বন্দিশিবিরে হামলা চালায়। ওই হামলায় অন্তত ৮৭ জন বন্দী নিহত এবং প্রায় ২৬৬ জন আহত হন। এর আগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দামার প্রদেশে হুতিদের পরিচালিত একটি বন্দিশিবিরেও হামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হন। এসব হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে অন্তত ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। দীর্ঘদিনের সংঘাত দেশটির অর্থনীতি ও জনজীবনকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে ইয়েমেন দুর্ভিক্ষের কাছাকাছি চলে গেছে। লাখো মানুষ খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে পড়েছেন। ২০২২ সালে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বেশির ভাগ সময় বড় ধরনের লড়াই কম ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই যুদ্ধবিরতি প্রায় পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় আবারও সংঘর্ষ বাড়ছে। একাধিক ফ্রন্টে নতুন করে লড়াইয়ের মধ্যেই হাজমের কারাগারে এই হামলার ঘটনা ঘটল। ফলে ইয়েমেনের সংঘাত আবারও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

একসাথে নেই সৃজিত-মিথিলা, বিচ্ছেদের ইঙ্গিত দিলেন নিজেই

ইয়েমেনের কারাগারে সৌদির বিমান হামলার অভিযোগ, শিশুসহ নিহত ৭

আপডেট সময় ১২:১৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের একটি কারাগারে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। সোমবারের ওই হামলায় এক শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে।

আহত হয়েছে আরো অন্তত সাতজন। আহতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন বলে জানিয়েছে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাওফ প্রদেশের কৌশলগত শহর হাজমে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে হামলাটি চালানো হয়। হুতিদের অভিযোগ, সৌদি আরব এই হামলা চালিয়েছে।

তবে সৌদি আরবের গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে হামলার অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হুতি পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি বলেন, হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। হুতি পরিচালিত সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাকে কারাগারের ওয়ার্ডেন জানান, হামলায় ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ৩৫ জন বন্দী আটকা পড়েছেন।

এ ছাড়া স্বামীকে দেখতে কারাগারে যাওয়া এক নারীও সেখানে আটকা পড়েছেন বলে তিনি জানান।

আল-মাসিরা হামলার পরের একটি ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে একটি ভবনের ধসে পড়া অংশ, ভাঙা কংক্রিট ও ধ্বংসস্তূপ দেখা যায়। ভিডিওতে কয়েকজনকে ধ্বংসস্তূপের ওপর সতর্কভাবে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে উদ্ধারকারী দলের সদস্য বলে মনে হওয়া কয়েকজনও ছিলেন।

তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খুঁজছিলেন। হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে জাওফে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ করেছেন। তিনি এই হামলাকে ‘গণহত্যা’ বলেও উল্লেখ করেন। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নজরদারি ড্রোন মোতায়েন এবং হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করা যোদ্ধাদের বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

ইয়াহিয়া সারি বলেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের চলমান সামরিক কর্মকাণ্ডের জবাব দেওয়া হবে এবং এর জন্য সৌদি আরবকে ‘শাস্তি’ দেওয়া হবে। পরে সোমবার তিনি দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হুতি বাহিনী সৌদি আরবের চারটি নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি সোমবার সকালে ইয়েমেনের বাইদা প্রদেশে দেখা গিয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে হুতিদের এসব দাবির বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কারাগারে হামলার ঘটনা এমন সময়ে ঘটল, যখন ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে অগ্রসর হচ্ছে।

সরকারপন্থী বাহিনী জাওফ, বাইদা, দালে ও মারিবসহ একাধিক এলাকায় হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে হুতি বিদ্রোহী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। এই যুদ্ধে সৌদি আরবও সরাসরি জড়িয়ে পড়েছিল। ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে। ওই বছর হুতিরা তাদের উত্তরাঞ্চলীয় শক্ত ঘাঁটি থেকে বেরিয়ে রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার রাজধানী ছেড়ে প্রথমে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে এবং পরে সৌদি আরবে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। সরকারকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট ইয়েমেনের যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে। এরপর সংঘাত আরো বড় আকার নেয়।

এই যুদ্ধে একদিকে হুতিদের সমর্থন দিয়েছে ইরান, অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন করেছে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ। ইয়েমেনের চলমান যুদ্ধে কারাগার ও বন্দিশিবিরে হামলার ঘটনা নতুন নয়। ২০২২ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের সাদা প্রদেশের একটি বন্দিশিবিরে হামলা চালায়। ওই হামলায় অন্তত ৮৭ জন বন্দী নিহত এবং প্রায় ২৬৬ জন আহত হন। এর আগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দামার প্রদেশে হুতিদের পরিচালিত একটি বন্দিশিবিরেও হামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হন। এসব হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে অন্তত ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। দীর্ঘদিনের সংঘাত দেশটির অর্থনীতি ও জনজীবনকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে ইয়েমেন দুর্ভিক্ষের কাছাকাছি চলে গেছে। লাখো মানুষ খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে পড়েছেন। ২০২২ সালে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বেশির ভাগ সময় বড় ধরনের লড়াই কম ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই যুদ্ধবিরতি প্রায় পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় আবারও সংঘর্ষ বাড়ছে। একাধিক ফ্রন্টে নতুন করে লড়াইয়ের মধ্যেই হাজমের কারাগারে এই হামলার ঘটনা ঘটল। ফলে ইয়েমেনের সংঘাত আবারও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ