জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা অনেক অপেক্ষার পর রাস্তায় নেমেছি, আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুরু হয়েছে।
৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের যাত্রা পথে আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফেনীর মহিপালের পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা তরুণদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ রেখে যেতে চাই। বিরোধী দলের দায়িত্ব হচ্ছে, যেখানে জনগণের অধিকার নিয়ে টান দেওয়া হবে সেখানে গর্জন করা, সেখানে বাধা দেওয়া ও প্রতিবাদ করা, এমনকি প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
বিরোধীদলের নেতা বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যা কথা বলে দেশে কোন বিদ্যুৎ সংকট নাই।
বাস্তবে বিদ্যুৎ সংকটে দেশের মানুষ নাজেহাল হয়ে গেছে। আমরা বুঝে গেছি এ সরকার দিয়ে দেশের কোনো উন্নয়ন হবে না। আমরা বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আমল ও জুলাই আন্দোলনসহ দেশের সকল হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এ সরকার এই পর্যন্ত কোন বিচারের অগ্রগতি দেখাতে পারে নাই।
ফেনী জেলা জামাতের আমির মুফতি মাওলানা আব্দুল হান্নান ও সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার চৌধুরী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নিয়ামুল বশির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম প্রমুখ।
সমাবেশ শেষ করে লং মার্চে অংশ নেওয়া নেতৃবৃন্দরা চট্টগ্রামের উদেশ্যে ফেনী ছাড়েন। মিরশরাই বাজারে একটি পথসভা করার কথা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















