দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, দেশে এখন প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন সার মজুদ আছে।
বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয় মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি ৭১) এর নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমি সরকারের বুলি আওড়াচ্ছি না, সত্যিটাই বলছি। দেশে এই মুহূর্তে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন সার মজুদ রয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া আরও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টন সার পাইপলাইনে রয়েছে।
তিনি বলেন, গত বছর এই সময়ে সারের মজুদ ছিল ১২ লাখ টন। বর্তমানে গোডাউনে মজুদ আছে প্রায় ১৩ লাখ টন। আর বন্দরে বা জাহাজে পাইপলাইনে আছে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টন। দেশে বছরে সারের মোট চাহিদা ৪০ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টন। ফলে সারের কোনো সংকট নেই।
মন্ত্রী বলেন, একটি সংঘবদ্ধ দল বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে গত কয়েকদিনে আমরা কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনতে পেরেছি। কৃষকবান্ধব সার বিতরণে ২০২৬ সালের মধ্যে প্রণয়নের জন্য একটি নতুন নীতিমালা করেছে। এতে প্রতি ইউনিয়নে ৩ জন করে মাস্টার ডিলার রাখার বিধান করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন বিএডিসির, একজন বিসিআইসির এবং নতুন করে আরও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
আমিন উর রশিদ জানান, ডিলারদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চালের গুদাম বা ধানের মিলে সার পাওয়ার মতো ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার, জরিমানা ও ডিলারশিপ বাতিলের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উপজেলা, জেলা ও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলাদা মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/হোসেন






















