ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সরাসরি সম্প্রচারকালে ইউক্রেনের টিভি চ্যানেলে রুশ ড্রোন হামলা, নিহত বেড়ে ৫ Logo ফ্যাসিবাদের আমলে নারী-শিশুরা বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে: রিজভী Logo নেত্রকোনায় ছেলের দায়ের কোপে প্রাণ হারালেন বাবা, আটক ছেলে Logo হামজার লড়াকু পারফরম্যান্সে জয়ে ফিরল শেফিল্ড Logo দেশের অগ্রগতি নারীদের ছাড়া অসম্পূর্ণ : রিজভী Logo ডেঙ্গুর প্রকোপ চলতি মাসের শেষ থেকে বাড়তে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo রিট খারিজ, ছবি ছাড়া করা যাবে না জাতীয় পরিচয়পত্র Logo ক্যান্সার আক্রান্ত ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াল ক্লাব Logo বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানীর ৯ এলাকায় Logo প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চাঁদা দাবির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলেন ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের ভিপি

চাঁদা দাবির অভিযোগ থেকে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সানজানা চৌধুরী রাত্রী। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাকে।

এসময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ইত্তেফাককে বলেন, সুফিয়া কামাল হল সংসদের ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদা দাবির অভিযোগের কোনো প্রমাণ তদন্ত কমিটি পায়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট তাকে ওই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলের ক্যান্টিন চালু রাখার বিনিময়ে মালিকের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠে হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সানজানা চৌধুরী রাত্রির বিরুদ্ধে। সেসময় তিনি চাঁদা দাবির অভিযোগটি অস্বীকার করেন।

পরবর্তীতে এটি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে সিন্ডিকেট সভায় তাকে অভিযোগ থেকে অভ্যাহতি দেওয়া হয়েছে ।

এ বিষয়ে কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাধীনভাবে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন গোষ্ঠীর আদর্শিক দ্বন্দ্বের কারণে আমাকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একজন নারী হিসেবে আমাকে নজিরবিহীনভাবে মিডিয়া ট্রায়াল ও মোরাল পুলিশিংয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। দীর্ঘ এই প্রক্রিয়ার পর শেষ পর্যন্ত সত্য সামনে এসেছে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে আমার ব্যক্তিগত সম্মান, মর্যাদা ও মানসিক শান্তির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তার দায়ভার কে নেবে?

এসময় নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য ব্যক্তিগত জীবন এবং সামাজিক মর্যাদাকে এভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় বলে জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সরাসরি সম্প্রচারকালে ইউক্রেনের টিভি চ্যানেলে রুশ ড্রোন হামলা, নিহত বেড়ে ৫

চাঁদা দাবির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলেন ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের ভিপি

আপডেট সময় ০৪:১২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদা দাবির অভিযোগ থেকে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সানজানা চৌধুরী রাত্রী। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাকে।

এসময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ইত্তেফাককে বলেন, সুফিয়া কামাল হল সংসদের ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদা দাবির অভিযোগের কোনো প্রমাণ তদন্ত কমিটি পায়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট তাকে ওই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলের ক্যান্টিন চালু রাখার বিনিময়ে মালিকের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠে হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সানজানা চৌধুরী রাত্রির বিরুদ্ধে। সেসময় তিনি চাঁদা দাবির অভিযোগটি অস্বীকার করেন।

পরবর্তীতে এটি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে সিন্ডিকেট সভায় তাকে অভিযোগ থেকে অভ্যাহতি দেওয়া হয়েছে ।

এ বিষয়ে কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাধীনভাবে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন গোষ্ঠীর আদর্শিক দ্বন্দ্বের কারণে আমাকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একজন নারী হিসেবে আমাকে নজিরবিহীনভাবে মিডিয়া ট্রায়াল ও মোরাল পুলিশিংয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। দীর্ঘ এই প্রক্রিয়ার পর শেষ পর্যন্ত সত্য সামনে এসেছে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে আমার ব্যক্তিগত সম্মান, মর্যাদা ও মানসিক শান্তির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তার দায়ভার কে নেবে?

এসময় নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য ব্যক্তিগত জীবন এবং সামাজিক মর্যাদাকে এভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় বলে জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ