ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রবিউল আউয়াল মাসের মহত্ব, তাৎপর্য ও করণীয়

ইসলামি বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও হৃদয়ের সঙ্গে এ মাসের একটি বিশেষ আবেগময় সম্পর্ক রয়েছে।

কারণ, মহানবী (সা.)-এর জন্ম, নবুওয়াত প্রাপ্তির ঘটনা এবং তাঁর পবিত্র জীবনের অসংখ্য স্মরণীয় অধ্যায়ের সঙ্গে এ মাসের নাম জড়িয়ে আছে। তাই এ মাস আমাদের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, চরিত্র ও সুন্নাহকে নতুন করে স্মরণ করে জীবনে বাস্তবায়নের অনন্য সুযোগ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ—তার জন্য, যে আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ২১)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আগমন মানবজাতির ইতিহাসে আল্লাহর অন্যতম মহান অনুগ্রহ।

তিনি কোনো নির্দিষ্ট জাতি, অঞ্চল বা সময়ের জন্য প্রেরিত হননি; বরং তাঁর রিসালাত ছিল সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আগমন ছিল অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে জ্ঞানের আলোয়, শিরকের অন্ধকার থেকে তাওহিদের আলোয় এবং অন্যায়-অবিচার থেকে ন্যায় ও ইনসাফের পথে মানবজাতির উত্তরণের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। তাঁর শিক্ষা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন, মানুষের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার, দয়া, ক্ষমা, আমানতদারি ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দিয়েছে।

রবিউল আউয়াল ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্মের মাস হিসেবে রবিউল আউয়াল মুসলিমদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। তবে তাঁর জন্মের সুনির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে ঐতিহাসিক ও আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই কোনো একটি তারিখকে অকাট্যভাবে নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। সহিহ হাদিসে অবশ্য রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেই তাঁর জন্মের দিনের কথা উল্লেখ করেছেন। আবু কাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘এ দিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এ দিনই আমার ওপর ওহি নাজিল হয়েছে।

’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর জন্মের দিনের কথা স্মরণ করেছেন এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের একটি আমল হিসেবে সোমবার রোজা রেখেছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) মানবতার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহান রহমত। তাই আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহ পেয়ে আনন্দিত হওয়া স্বাভাবিক ও প্রশংসনীয় বিষয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলুন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর রহমতের কারণে তারা যেন আনন্দিত হয়; তারা যা সঞ্চয় করে তার চেয়ে এটি উত্তম।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৫৮)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করা। মুখে ভালোবাসার দাবি করা সহজ; কিন্তু তাঁর চরিত্রকে নিজের চরিত্রে ধারণ করা, তাঁর ইবাদতের পদ্ধতি অনুসরণ করা, তাঁর মতো সত্যবাদী হওয়া, মানুষের প্রতি দয়াশীল হওয়া এবং অন্যায় থেকে দূরে থাকা—এটাই প্রকৃত ভালোবাসার পরিচয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ২১)

তাই রবিউল আউয়ালকে কেন্দ্র করে আমাদের অঙ্গীকার হতে পারে—রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী পড়ব, তাঁর সুন্নাহ জানব, পরিবার ও সমাজে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়ন করব এবং তাঁর চরিত্রকে নিজের জীবনের সৌন্দর্যে পরিণত করব।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।’ (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

তাই রবিউল আউয়ালের শিক্ষা হলো—রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা যেন আমাদের নামাজে, আখলাকে, লেনদেনে, পরিবারে, সমাজে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রকাশ পায়।

রবিউল আউয়ালে করণীয়

রবিউল আউয়ালকে জীবনের পরিবর্তনের মাস হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। এ মাসে বিশেষ কোনো নতুন ইবাদতকে শরিয়তের নির্ধারিত আমল মনে না করে কোরআন-সুন্নাহসম্মত নেক আমল বৃদ্ধি করা উচিত। যেমন—

১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী পাঠ করা : তাঁর মক্কি ও মাদানি জীবন, দাওয়াত, ধৈর্য, ত্যাগ, পরিবার পরিচালনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার আদর্শ সম্পর্কে জানা।

২. বেশি বেশি দরুদ পড়া : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি সালাত পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত ও সালাম পাঠ করো।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৫৬)

৩. সুন্নাহর জ্ঞান অর্জন করা : শুধু জন্ম ও জীবনের ঘটনা জানা নয়; তাঁর কথা, কাজ ও অনুমোদিত পদ্ধতি সম্পর্কে জানা এবং তা অনুসরণ করা।

৪. চরিত্র সংশোধন করা : সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ক্ষমাশীলতা, বিনয়, দয়া ও মানুষের প্রতি সদাচরণকে জীবনের অংশ করা।

৫. নফল ইবাদত বৃদ্ধি করা : নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দোয়া, দান-সদকা ও অন্যান্য নেক আমল বৃদ্ধি করা।

৬. পরিবারকে নবীজির আদর্শ শেখানো : সন্তানদের রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী ও চরিত্র সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করা।

৭. সুন্নাহবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকা : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভালোবাসার নামে এমন কোনো কাজকে দ্বীনের আবশ্যিক অংশ মনে না করা, যার শরিয়তসম্মত প্রমাণ নেই।

আসুন, রবিউল আউয়ালকে সামনে রেখে আমরা নতুন করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জানি, তাঁকে ভালোবাসি, তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করি, তাঁর সুন্নাহ শিখি এবং নিজের জীবনকে তাঁর আদর্শের আলোয় সাজানোর অঙ্গীকার করি। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমিন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

রবিউল আউয়াল মাসের মহত্ব, তাৎপর্য ও করণীয়

আপডেট সময় ১১:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামি বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও হৃদয়ের সঙ্গে এ মাসের একটি বিশেষ আবেগময় সম্পর্ক রয়েছে।

কারণ, মহানবী (সা.)-এর জন্ম, নবুওয়াত প্রাপ্তির ঘটনা এবং তাঁর পবিত্র জীবনের অসংখ্য স্মরণীয় অধ্যায়ের সঙ্গে এ মাসের নাম জড়িয়ে আছে। তাই এ মাস আমাদের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, চরিত্র ও সুন্নাহকে নতুন করে স্মরণ করে জীবনে বাস্তবায়নের অনন্য সুযোগ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ—তার জন্য, যে আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ২১)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আগমন মানবজাতির ইতিহাসে আল্লাহর অন্যতম মহান অনুগ্রহ।

তিনি কোনো নির্দিষ্ট জাতি, অঞ্চল বা সময়ের জন্য প্রেরিত হননি; বরং তাঁর রিসালাত ছিল সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আগমন ছিল অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে জ্ঞানের আলোয়, শিরকের অন্ধকার থেকে তাওহিদের আলোয় এবং অন্যায়-অবিচার থেকে ন্যায় ও ইনসাফের পথে মানবজাতির উত্তরণের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। তাঁর শিক্ষা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন, মানুষের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার, দয়া, ক্ষমা, আমানতদারি ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দিয়েছে।

রবিউল আউয়াল ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্মের মাস হিসেবে রবিউল আউয়াল মুসলিমদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। তবে তাঁর জন্মের সুনির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে ঐতিহাসিক ও আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই কোনো একটি তারিখকে অকাট্যভাবে নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। সহিহ হাদিসে অবশ্য রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেই তাঁর জন্মের দিনের কথা উল্লেখ করেছেন। আবু কাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘এ দিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এ দিনই আমার ওপর ওহি নাজিল হয়েছে।

’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর জন্মের দিনের কথা স্মরণ করেছেন এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের একটি আমল হিসেবে সোমবার রোজা রেখেছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) মানবতার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহান রহমত। তাই আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহ পেয়ে আনন্দিত হওয়া স্বাভাবিক ও প্রশংসনীয় বিষয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলুন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর রহমতের কারণে তারা যেন আনন্দিত হয়; তারা যা সঞ্চয় করে তার চেয়ে এটি উত্তম।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৫৮)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করা। মুখে ভালোবাসার দাবি করা সহজ; কিন্তু তাঁর চরিত্রকে নিজের চরিত্রে ধারণ করা, তাঁর ইবাদতের পদ্ধতি অনুসরণ করা, তাঁর মতো সত্যবাদী হওয়া, মানুষের প্রতি দয়াশীল হওয়া এবং অন্যায় থেকে দূরে থাকা—এটাই প্রকৃত ভালোবাসার পরিচয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ২১)

তাই রবিউল আউয়ালকে কেন্দ্র করে আমাদের অঙ্গীকার হতে পারে—রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী পড়ব, তাঁর সুন্নাহ জানব, পরিবার ও সমাজে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়ন করব এবং তাঁর চরিত্রকে নিজের জীবনের সৌন্দর্যে পরিণত করব।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।’ (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

তাই রবিউল আউয়ালের শিক্ষা হলো—রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা যেন আমাদের নামাজে, আখলাকে, লেনদেনে, পরিবারে, সমাজে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রকাশ পায়।

রবিউল আউয়ালে করণীয়

রবিউল আউয়ালকে জীবনের পরিবর্তনের মাস হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। এ মাসে বিশেষ কোনো নতুন ইবাদতকে শরিয়তের নির্ধারিত আমল মনে না করে কোরআন-সুন্নাহসম্মত নেক আমল বৃদ্ধি করা উচিত। যেমন—

১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী পাঠ করা : তাঁর মক্কি ও মাদানি জীবন, দাওয়াত, ধৈর্য, ত্যাগ, পরিবার পরিচালনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার আদর্শ সম্পর্কে জানা।

২. বেশি বেশি দরুদ পড়া : আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি সালাত পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত ও সালাম পাঠ করো।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৫৬)

৩. সুন্নাহর জ্ঞান অর্জন করা : শুধু জন্ম ও জীবনের ঘটনা জানা নয়; তাঁর কথা, কাজ ও অনুমোদিত পদ্ধতি সম্পর্কে জানা এবং তা অনুসরণ করা।

৪. চরিত্র সংশোধন করা : সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ক্ষমাশীলতা, বিনয়, দয়া ও মানুষের প্রতি সদাচরণকে জীবনের অংশ করা।

৫. নফল ইবাদত বৃদ্ধি করা : নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দোয়া, দান-সদকা ও অন্যান্য নেক আমল বৃদ্ধি করা।

৬. পরিবারকে নবীজির আদর্শ শেখানো : সন্তানদের রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী ও চরিত্র সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করা।

৭. সুন্নাহবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকা : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভালোবাসার নামে এমন কোনো কাজকে দ্বীনের আবশ্যিক অংশ মনে না করা, যার শরিয়তসম্মত প্রমাণ নেই।

আসুন, রবিউল আউয়ালকে সামনে রেখে আমরা নতুন করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জানি, তাঁকে ভালোবাসি, তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করি, তাঁর সুন্নাহ শিখি এবং নিজের জীবনকে তাঁর আদর্শের আলোয় সাজানোর অঙ্গীকার করি। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমিন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ