ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মহাবিশ্বের বিস্ময় ‘হোয়াইট হোল’: যেখানে সময়ের স্রোত উল্টো দিকে বয়! Logo খলিলুর রহমানের সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাৎ Logo প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলালেন না ভারতীয় খেলোয়াড় সুচিকা Logo তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয় Logo সেরা অভিনেতা কার্তিক-মামুট্টি, সেরা অভিনেত্রী ইয়ামি Logo নিউইয়র্কে বোমা আতঙ্ক Logo বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে : আমির খসরু Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক বন্ধুত্ব সুদৃঢ়করণে এরদোয়ানের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক Logo রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বারহাম সালিহর বৈঠক: গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা সংকট

বেসরকারি নির্ভরশীলতা কাটাতে এলপিজি আমদানির অনুমতি পেয়েছে বিপিসি

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে দেশে চলমান সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে এক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের ওপর একক নির্ভরশীলতা কাটাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) এই গ্যাস আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সঙ্গে সরকারের (জিটুজি) চুক্তির ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি এই নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তিনি বলেন, ‘বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসানকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হচ্ছে। কাজ চলছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এলপিজির সংকট দেখা দিলে তা আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দেয় বিপিসি। চিঠিতে বলা হয়, দেশের এলপিজি বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকটের সময় সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত। ফলে সরবরাহ-ঘাটতি ও কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা মোকাবিলার কার্যকর কোনো হাতিয়ার সরকারের হাতে থাকে না।

বিপিসির এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি যাতে এলপিজি আমদানি করতে পারে এখন সেই প্রক্রিয়া শুরু হলো।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছিলেন, ‘সরকারের সঙ্গে সরকারের (জিটুজি) চুক্তির মাধ্যমে এলপিজি আমদানি করে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর কথা আমরা চিন্তা করছি। যাতে বেসরকারি খাত একচেটিয়াভাবে বাজার দখল করতে না পারে।’

দেশে এলপিজি ব্যবসার ৯২ শতাংশ বেসরকারি খাতে এবং মাত্র দুই শতাংশ সরকারি খাতে জানিয়ে উপদেষ্টা সেদিন আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। এখন কথা হচ্ছে যেটা আমাদের হাতে না, ওটা তো বেসরকারি খাতে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমরা ভাবছি সরকার হয়তো এলপিজির আরও বড় অংশে থাকবে। যাতে বাজারে ভারসাম্য থাকে।’

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

মহাবিশ্বের বিস্ময় ‘হোয়াইট হোল’: যেখানে সময়ের স্রোত উল্টো দিকে বয়!

বেসরকারি নির্ভরশীলতা কাটাতে এলপিজি আমদানির অনুমতি পেয়েছে বিপিসি

আপডেট সময় ১০:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে দেশে চলমান সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে এক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের ওপর একক নির্ভরশীলতা কাটাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) এই গ্যাস আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সঙ্গে সরকারের (জিটুজি) চুক্তির ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি এই নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তিনি বলেন, ‘বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসানকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হচ্ছে। কাজ চলছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এলপিজির সংকট দেখা দিলে তা আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দেয় বিপিসি। চিঠিতে বলা হয়, দেশের এলপিজি বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকটের সময় সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত। ফলে সরবরাহ-ঘাটতি ও কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা মোকাবিলার কার্যকর কোনো হাতিয়ার সরকারের হাতে থাকে না।

বিপিসির এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি যাতে এলপিজি আমদানি করতে পারে এখন সেই প্রক্রিয়া শুরু হলো।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছিলেন, ‘সরকারের সঙ্গে সরকারের (জিটুজি) চুক্তির মাধ্যমে এলপিজি আমদানি করে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর কথা আমরা চিন্তা করছি। যাতে বেসরকারি খাত একচেটিয়াভাবে বাজার দখল করতে না পারে।’

দেশে এলপিজি ব্যবসার ৯২ শতাংশ বেসরকারি খাতে এবং মাত্র দুই শতাংশ সরকারি খাতে জানিয়ে উপদেষ্টা সেদিন আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। এখন কথা হচ্ছে যেটা আমাদের হাতে না, ওটা তো বেসরকারি খাতে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমরা ভাবছি সরকার হয়তো এলপিজির আরও বড় অংশে থাকবে। যাতে বাজারে ভারসাম্য থাকে।’

বাংলা৭১নিউজ/এবি