২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপটাউন টেস্টে বল বিকৃতির ঘটনায় শুধু স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফট নন, জড়িত ছিল অস্ট্রেলিয়ার পুরো দল। এমনকি কেপটাউনের আগের টেস্টেও বলের আকৃতি পরিবর্তনে ব্যবহার করা হয়েছিল স্যান্ডপেপারে।
ঘটনার ৮ বছর পর এমন বিস্ফোরক দাবিই করেছেন উসমান খাজা।
নিজের আত্মজীবনী ‘সবর’-এ এসব তথ্য প্রকাশ করতে যাচ্ছেন খাজা। আগামী মঙ্গলবার বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তবে এর আগেই শনিবার এক সাক্ষাৎকারে স্যান্ডপেপার কাণ্ড নিয়ে মুখ খুলেছেন ৩৯ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার।
খজার দাবি, দলের সবাই জানতেন বল বিকৃতির বিষয়টি। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘এটা আমরা সবাই করেছি। শুধু ব্যাটাররা নয়, বোলাররা নয়, দলের স্টাফরাও নয়—আমরা সবাই।’
এত দিন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের প্রচলিত বক্তব্য ছিল, এই ঘটনায় জড়িত ছিলেন শুধু স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফট।
শাস্তি হিসেবে স্মিথ ও ওয়ার্নারকে এক বছর এবং ব্যানক্রফটকে ৯ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ওয়ার্নারকে দেওয়া হয়েছিল নেতৃত্বের দায়িত্ব পালনে আজীবন নিষেধাজ্ঞা। পরে অবশ্য ২০২৪ সালে তুলে নেওয়া হয়।
খাজা জানিয়েছেন, পুরো ঘটনা তদন্তের সময় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে তার সঙ্গে কোনো কথা বলা হয়নি। অথচ সেই টেস্টে ব্যানক্রফটের পাশেই বসেছিলেন তিনি।
এ নিয়ে খাজার ভাষ্য, ‘পুরো টেস্টে আমি ক্যামেরন ব্যানক্রফটের পাশেই বসেছিলাম। অথচ আমার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়নি। আমি ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু ফোন আর আসেনি। এরপর শাস্তি ঘোষণা করা হলো। আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি।’
খাজা আরো বলেন, ‘আট বছর ধরে ডেভি (ওয়ার্নার) বারবার সমালোচনার শিকার হয়েছে। ব্যানক্রফটের মাথার ওপরও বিষয়টি ঝুলে আছে। তাদের ন্যায্যবিচার পাওয়ার অধিকার আছে।’
এদিকে খাজার সাক্ষাৎকারের পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, ২০১৮ সালের ঘটনার তদন্ত নিয়ে তারা সন্তুষ্ট। তবে খাজার নতুন দাবিতে ৮ বছর আগের সেই বিতর্ক আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ



























