চিত্রনায়ক মান্নার ব্যবহৃত একটি গাড়ি মেরামতের সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার পরিবারের ম্যানেজার মো. মামুন মণ্ডলকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৮ অক্টোবার) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ এই জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি মামুন দীর্ঘদিন ধরে মান্নার পরিবারে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। এটা নিছক দুর্ঘটনা। আমরা আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করি। এক হাজার টাকা মুচলেকায় আসামি মামুন মন্ডলের জামিন দিয়েছেন আদালত।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর ম্যানেজার মো. মামুন মন্ডল (২৯) ও গাড়ির টেকনিশিয়ান মো. সোহেল পাটওয়ারীকে (৩৭) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াউর রহমান।
আসামিপক্ষের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম জামিন আবেদন করেন। জামিন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করে বিচারক বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সে অনুযায়ী আজ শুনানি শেষে বিচারক আসামি মামুন মণ্ডলকে জামিন দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর ভাটারা এলাকার একটি বাড়ির নিচে গাড়ি পার্কিংয়ের গ্যারেজ রয়েছে। ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া সেলির (মান্নার স্ত্রী) ঢাকা মেট্রো-গ-১৫-০৭৭৫ নম্বরের একটি প্রাইভেট কার দীর্ঘদিন ধরে গ্যারেজে পড়ে ছিল। গাড়িটির নিচে তেলের চিহ্ন দেখতে পেয়ে সেটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাড়ির কর্তৃপক্ষ গাড়ির মালিককে অনুরোধ করে।
এরপর গাড়িটি গ্যারেজ থেকে বের করে ওয়ার্কশপে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের ম্যানেজার মামুনকে নির্দেশ দেন মালিক।
গ্যারেজে না গিয়ে গত ২৬ অক্টোবর মামুন ও সোহেল গাড়িটি পার্কিংয়ের গ্যারেজে মেরামতের কাজ শুরু করেন।
আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে গাড়িটিতে আগুন লাগে। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুনে পাশের আরেকটি প্রাইভেট কারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া গ্যারেজ, বিদ্যুতের তার, সিসিটিভি ক্যামেরা, গেটের শাটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে যায়। ভবনের বিভিন্ন স্থানের কাচও ভেঙে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় বাড়ির ম্যানেজার মো. গাজি মানিক মিয়া ভাটারা থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























