ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, গুরুদাসপুর থানার পরিদর্শক প্রত্যাহার Logo শুধু সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী Logo ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে পরিণত করার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর Logo স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনিসুল হক, পলক ও সাবেক আইজিপি মামুন Logo মান্নার গাড়িতে আগুনের ঘটনায় ম্যানেজার মামুনের জামিন Logo এডেন বিমানবন্দর খালি করার নির্দেশ দিলো হুথিরা Logo নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুনের ঘটনায় কারাগারে ২ Logo অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপে সিশেলসকে টাইব্রেকারে হারাল বাংলাদেশ Logo বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে মিরপুরের ফ্লাডলাইটে আগুন

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুজন ৫ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ডাকসু সাবেক এজিএস ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ সাহিত্য সম্পাদক ফাল্গুনী দাস তন্বী (৩২) ও গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ওরফে সাজেদুর রহমান সোহানকে (২৮) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আসামি সোহানের আইনজীবী আইনজীবী শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর তন্বীকে ও ২৪ অক্টোবর সোহানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামীদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে আসামিকে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলশান-১-এর ৩ নম্বর রোডের কেএফসি রেস্টুরেন্টের সামনের পাকা রাস্তায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ৮০ থেকে ১০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি সমবেত হয়। আসামিরা সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা এবং এলাকাটিতে নাশকতামূলক ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং মিছিলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

​সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আসামিরা ব্যাপক মারমুখী ভূমিকা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের নির্দেশে দুই রাউন্ড রাবার কার্তুজ ফাঁকা ফায়ার করা হয়।

পুলিশকে দেখে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একটি লাল-সবুজ স্কস্টেপ মোড়ানো ব্যাগের ভেতর থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ফেলে রেখে যায়, যা পরবর্তীতে জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।
​
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এবং অন্যান্য আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী ষোড়যন্ত্র ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ এনআইডি সার্ভার

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুজন ৫ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৪:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ডাকসু সাবেক এজিএস ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ সাহিত্য সম্পাদক ফাল্গুনী দাস তন্বী (৩২) ও গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ওরফে সাজেদুর রহমান সোহানকে (২৮) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আসামি সোহানের আইনজীবী আইনজীবী শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর তন্বীকে ও ২৪ অক্টোবর সোহানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামীদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে আসামিকে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলশান-১-এর ৩ নম্বর রোডের কেএফসি রেস্টুরেন্টের সামনের পাকা রাস্তায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ৮০ থেকে ১০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি সমবেত হয়। আসামিরা সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা এবং এলাকাটিতে নাশকতামূলক ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং মিছিলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

​সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আসামিরা ব্যাপক মারমুখী ভূমিকা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের নির্দেশে দুই রাউন্ড রাবার কার্তুজ ফাঁকা ফায়ার করা হয়।

পুলিশকে দেখে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একটি লাল-সবুজ স্কস্টেপ মোড়ানো ব্যাগের ভেতর থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ফেলে রেখে যায়, যা পরবর্তীতে জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।
​
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এবং অন্যান্য আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী ষোড়যন্ত্র ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ