ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা চালুর কথা, নির্ধারিত সময়েই চালু হবে Logo পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় নয়, সেই দাবিতে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মেলা ভাঙচুর Logo জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তৃতায় কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাধা, তীব্র বাগবিতণ্ডা Logo স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জন নিহত Logo জাতিসংঘে দুই দেশের মুখোমুখি অবস্থান, পরিস্থিতি সামলালেন খলিলুর রহমান Logo রোগী পরিবহণের ভোগান্তি কমাতে নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: নুরুল হক Logo জয়-পুতুলসহ সিআরআইয়ের ৮ জনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ Logo এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশের যেসব এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে Logo বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যয় নয়, জাতীয় অগ্রগতির বিনিয়োগ : প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুজন ৫ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ডাকসু সাবেক এজিএস ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ সাহিত্য সম্পাদক ফাল্গুনী দাস তন্বী (৩২) ও গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ওরফে সাজেদুর রহমান সোহানকে (২৮) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আসামি সোহানের আইনজীবী আইনজীবী শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর তন্বীকে ও ২৪ অক্টোবর সোহানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামীদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে আসামিকে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলশান-১-এর ৩ নম্বর রোডের কেএফসি রেস্টুরেন্টের সামনের পাকা রাস্তায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ৮০ থেকে ১০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি সমবেত হয়। আসামিরা সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা এবং এলাকাটিতে নাশকতামূলক ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং মিছিলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

​সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আসামিরা ব্যাপক মারমুখী ভূমিকা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের নির্দেশে দুই রাউন্ড রাবার কার্তুজ ফাঁকা ফায়ার করা হয়।

পুলিশকে দেখে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একটি লাল-সবুজ স্কস্টেপ মোড়ানো ব্যাগের ভেতর থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ফেলে রেখে যায়, যা পরবর্তীতে জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।
​
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এবং অন্যান্য আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী ষোড়যন্ত্র ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা চালুর কথা, নির্ধারিত সময়েই চালু হবে

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুজন ৫ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৪:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ডাকসু সাবেক এজিএস ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ সাহিত্য সম্পাদক ফাল্গুনী দাস তন্বী (৩২) ও গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ওরফে সাজেদুর রহমান সোহানকে (২৮) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আসামি সোহানের আইনজীবী আইনজীবী শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর তন্বীকে ও ২৪ অক্টোবর সোহানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামীদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে আসামিকে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, তাদের অর্থের যোগানদাতা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলশান-১-এর ৩ নম্বর রোডের কেএফসি রেস্টুরেন্টের সামনের পাকা রাস্তায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ৮০ থেকে ১০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি সমবেত হয়। আসামিরা সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা এবং এলাকাটিতে নাশকতামূলক ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং মিছিলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

​সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আসামিরা ব্যাপক মারমুখী ভূমিকা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের নির্দেশে দুই রাউন্ড রাবার কার্তুজ ফাঁকা ফায়ার করা হয়।

পুলিশকে দেখে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একটি লাল-সবুজ স্কস্টেপ মোড়ানো ব্যাগের ভেতর থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ফেলে রেখে যায়, যা পরবর্তীতে জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।
​
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এবং অন্যান্য আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী ষোড়যন্ত্র ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ