প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পাকিস্তান গেলেন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত প্রতিনিধি দলটি রবিবার (৮ নভেম্বর) পাকিস্তানের লাহোরের ন্যাশনাল স্কুল অব পাবলিক পলিসিতে (এনএসপিপি) এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নিতে ঢাকা ছেড়েছে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মকর্তাদের বিদায় জানান ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
এর আগে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। সেখানে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা, পেশাগত সহযোগিতা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নেতৃত্ব দুই দেশের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করা এবং জনপ্রশাসনে সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক বন্ধনের কথা তুলে ধরে তিনি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ডিজিটাল প্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দারের ২০২৫ সালের আগস্টে ঢাকা সফরের সময় ঘোষিত ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডর’-এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ইমরান হায়দার। তিনি জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ১৭০ জন শিক্ষার্থী পাকিস্তানের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। শিগগিরই আরো ২০ জন শিক্ষার্থী সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি আরো জানান, চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশের ১২ জন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা প্রথম ব্যাচ হিসেবে এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করেন। বর্তমান প্রতিনিধি দলটি এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া দ্বিতীয় ব্যাচ। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















