সম্প্রতি প্রিমিয়ার লিগে টানা দুই ম্যাচ হেরে কিছুটা ব্যাকফুটে থেকেই চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে নেমেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। এই ম্যাচেও খুব একটা ভাল করতে পারেনি মারেস্কার দল।
তবে জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগের বিপক্ষে হালান্ডের শেষ সময়ে দুর্দান্ত এক গোলে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে ফিরেছে ম্যানচেস্টার সিটি।
ম্যাচের শুরুতে লাইপজিগের জমাট রক্ষণভাগ ভেদ করতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল ম্যানসিটির। উল্টো খেলার প্রথম দিকে স্বাগতিকরাই বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করে চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। ম্যাচের শুরুতেই আন্তোনিও নুসার দূরপাল্লার শট গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার হাত ছুঁয়ে জালে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত তা পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।
এছাড়া ক্রিস্টোফ বাউমগার্টনারের একটি শটও পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
পুরো প্রথমার্ধে বলের দখল নিজেদের পায়ে রাখলেও তেমন কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি সিটি। উল্টো ম্যাচের প্রথমার্ধে ডেডলক ভাঙে লাইপজিগের ডিফেন্ডার কাস্তেলো লুকাইবার এক আত্মঘাতী ভুলে। নিকো ও’রিলির একটি সাধারণ ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে জটলায় বল নিজেদের জালেই ঠেলে দেন।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সেই উপহার ফিরিয়ে দেয় ম্যানসিটি। সাম্প্রতিক সময়ে গোলরক্ষক দোন্নারুমার ফর্ম ভাল যাচ্ছে না। এই ম্যাচে তিনি নিজের পোস্ট বাজেভাবে অরক্ষিত রেখেছিলেন। যার পূর্ণ সুযোগ নিয়ে চমৎকার শটে লাইপজিগকে ১-১ সমতায় ফেরান রিডল বাকু।
অবশ্য বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি সিটির।
৫৭ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের এক চোখ জুড়ানো বুলেট হেডার থেকে আবারও ম্যাচে এগিয়ে যায় অতিথিরা। কিন্তু সেই লিডও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ঠিক তার তিন মিনিট পর, অর্থাৎ ম্যাচের ৬০ মিনিটে দুর্দান্ত এক নিচু শটে বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ২-২ করেন স্বাগতিকদের আন্তোনিও নুসা।
এরপর জয় পেতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ শানাতে থাকে মারেস্কার শিষ্যরা। অবশেষে ম্যাচের ৭৮ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত সেই গোলের দেখা পায় সিটিজেনরা। এলিয়ট অ্যান্ডারসনের নিখুঁত নিচু ক্রস থেকে বল স্লাইডিং শটে জালে জড়িয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন আর্লিং হালান্ড। আর এর মাধ্যমেই আরবি লাইপজিগের বিপক্ষে নিজের ক্যারিয়ারে ৯ ম্যাচে ১৩তম গোল করার অনন্য রেকর্ডটি আরও সমৃদ্ধ করলেন নরওয়েজিয়ান এই গোলমেশিন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















