ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। দুই সংস্করণেই দলের নেতৃত্বে থাকছেন মিচেল মার্শ।
তবে ঘোষিত স্কোয়াডে নেই অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসত্রয়ী মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউড।
ব্যস্ত সূচির কথা মাথায় রেখে তিন পেসারকে বিশ্রাম দিয়েছে সিএ। ‘ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের’ অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকবার তাদের সীমিত ওভারের ক্রিকেট থেকে দূরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন মারকুটে ব্যাটার জেক ফ্রেজার-ম্যাগার্ক।
নতুনদের সুযোগ দিয়ে দুই সংস্করণেই দল সাজিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকেরা।
আগামী ১৩ নভেম্বর পার্থে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর ২১ নভেম্বর মেলবোর্নে শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দুই সিরিজ মিলিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আটটি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া।
স্টার্ক, কামিন্স ও হ্যাজলউডকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে সামনের ব্যস্ত সূচি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্রই টেস্ট সিরিজ খেলে ফেরা অস্ট্রেলিয়ার সামনে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এরপর ভারত সফরেও খেলতে হবে পাঁচটি টেস্ট। তাই অভিজ্ঞ পেসারদের চোটমুক্ত ও চাঙা রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।
দুই স্কোয়াডেই জায়গা পেয়েছেন জেভিয়ার বার্টলেট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, জ্যাক এডওয়ার্ডস ও স্পেন্সার জনসন।
তবে ওয়ানডে দলে থাকলেও টি-টোয়েন্টি দলে নেই অ্যালেক্স ক্যারি, ট্রাভিস হেড, ক্যামেরন গ্রিন, জশ ইংলিস, ম্যাট রেনশ ও কুপার কনোলি। টেস্টের প্রস্তুতির কথা বিবেচনা করেই তাদের টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে বাইরে রাখা হয়েছে।
টি-টোয়েন্টি দলে সবচেয়ে আলোচিত নাম জেক ফ্রেজার-ম্যাগার্ক। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও অস্ট্রেলিয়ার দলে ফিরেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে দলে ফিরেছেন মিচেল ওয়েনও। এ ছাড়া নিখিল চৌধুরী, জোয়েল ডেভিস, স্যাম হার্পার ও লাচলান শও পেয়েছেন সুযোগ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি জানিয়েছেন, তরুণ ক্রিকেটারদের সামর্থ্য প্রমাণের দারুণ সুযোগ এই সিরিজ। তিনি বলেন, ‘এই ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিজেদের সামর্থ্য আরেকবার প্রমাণের দারুণ সুযোগ করে দেবে। তাদের অনেকেই সাম্প্রতিক সফরগুলোতে খেলার সুযোগ পেয়েছে। এবার শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের আরো ভালোভাবে মেলে ধরার সুযোগ পাবে।’
ফ্রেজার-ম্যাগার্ক ও ওয়েনের ফেরা নিয়ে বেইলি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ছোট সংস্করণের ক্রিকেটে তাদের দ্রুত রান তোলার সামর্থ্য দলের জন্য বাড়তি পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।’
অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দল
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, জ্যাক এডওয়ার্ডস, ক্যামেরন গ্রিন, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্পেন্সার জনসন, অলিভার পিক, ম্যাট রেনশ, লিয়াম স্কট ও অ্যাডাম জাম্পা।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি দল
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, নিখিল চৌধুরী, টিম ডেভিড, জোয়েল ডেভিস, জ্যাক এডওয়ার্ডস, নাথান এলিস, জেক ফ্রেজার-ম্যাগার্ক, স্যাম হার্পার, স্পেন্সার জনসন, মিচেল ওয়েন, লাচলান শ ও অ্যাডাম জাম্পা।
অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড সিরিজের সূচি
ওয়ানডে সিরিজ
প্রথম ওয়ানডে — ১৩ নভেম্বর, পার্থ
দ্বিতীয় ওয়ানডে — ১৫ নভেম্বর, অ্যাডিলেড
তৃতীয় ওয়ানডে — ১৮ নভেম্বর, হোবার্ট
টি-টোয়েন্টি সিরিজ
প্রথম টি-টোয়েন্টি — ২১ নভেম্বর, মেলবোর্ন
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি — ২৪ নভেম্বর, গোল্ড কোস্ট
তৃতীয় টি-টোয়েন্টি — ২৭ নভেম্বর, ব্রিসবেন
চতুর্থ টি-টোয়েন্টি — ২৯ নভেম্বর, সিডনি
পঞ্চম টি-টোয়েন্টি — ২ ডিসেম্বর, ক্যানবেরা
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ





















