পুরুষদের বিশ্বকাপের সমান প্রাইজ মানি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ফিফা। তবে সেটা পূরণ করতে পারছে না ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারলেও নারী বিশ্বকাপের প্রাইজ মানি দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।
আগামী ২০২৭ নারী বিশ্বকাপে তাই প্রাইজ মানি বাড়িয়ে অন্তত ২২ কোটি ডলার করার পরিকল্পনা করেছে ফিফা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা।
২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপে মোট আর্থিক বরাদ্দ ছিল ১৫ কোটি ডলার।
এর মধ্যে প্রাইজ মানি ছিল ১১ কোটি ডলার। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে সেটি দ্বিগুণ হবে।
শুধু দলীয় পুরস্কার নয়, খেলোয়াড়দের পকেটও ভারী হবে। ২০২৩ বিশ্বকাপে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য ন্যূনতম ৩০ হাজার ডলার নিশ্চিত করেছিল ফিফা।
এবার তা বাড়িয়ে ৬০ হাজার ডলার করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
২০২৩ সালের মার্চে রুয়ান্ডার কিগালিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছিলেন, ‘২০২৭ সালের মধ্যে নারী ও পুরুষ বিশ্বকাপে সমান প্রাইজ মানি দেওয়ার আশা করছে ফিফা।’ তবে সেই লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি। ২০২৬ পুরুষ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা বরাদ্দ রেখেছিল ৮৭১ কোটি ডলার।
২০২৭ নারী বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দেশ প্রস্তুতির জন্য পাবে ২৫ লাখ ডলার বা প্রায় ৩১ কোটি টাকা। এমনকি বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া ১৪৮টি সদস্য দেশকেও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে প্রাইজমানি দ্বিগুণ করার প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী ডিসেম্বরে জুরিখে ফিফা কাউন্সিলের সভায় এটি অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। ২০২৭ সালের ২৪ জুন থেকে ২৫ জুলাই ব্রাজিলে হবে ৩২ দলের এই বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ



























