ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ডা. আ ক ম জামাল উদ্দিনকে (৫৬) সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তদন্তেপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক মো. নুরুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন করেন।
এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার জামিন আবেদন করলে রাষ্ট্র পক্ষে থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ মে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য, অর্থদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতারা রাজধানীর গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম ও আশপাশের এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যে সমবেত হন। ওই সময় পুলিশ সদস্যরা বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের বিপরীত পাশে হোটেল ইম্পেরিয়ালের সামনে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ জন বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যান।
পুলিশের দাবি, তদন্তে আ ক ম জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ, সংগঠনের আদর্শ ও কর্মকাণ্ড সমর্থন, অপরাধের ষড়যন্ত্র ও প্রচেষ্টার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন সরকারবিরোধী মিছিল-মিটিংয়ে তার নেতৃত্ব দেওয়ার তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া গেছে। ওই ঘটনায় ১৯ মে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
এর আগে একই আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ১১ মার্চ থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ
























