ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শেষবারের মত আর্জেন্টিনার অনুশীলন সেশনে মেসি Logo আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে আজ আমিরাতে যাচ্ছেন শান্ত Logo ‘গোল করতে চাইলে সেরাটা দিয়ে করতে হবে’, মেসিকে হুংকার বেনিনের গোলরক্ষকের Logo ‘২০ বছর বয়স থেকেই কর দিচ্ছি’, আয়কর তল্লাশি নিয়ে মুখ খুললেন রাকুল Logo ‘ভারতে শান্তি পাই না’ মন্তব্য করে বিতর্কে সঞ্জয় দত্ত Logo আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন Logo বিয়ের মেহেন্দি এক বছর মুছতে দেননি, জানেন কী ফন্দি এঁটেছিলেন নায়িকা? Logo তিন কিংবদন্তি এক মঞ্চে, শ্রদ্ধা ও বিনম্রতার এক অনন্য মুহূর্ত দেখল মুম্বাই Logo ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি হচ্ছে কবে, কারা আসছেন শীর্ষ পদে Logo ভারত-ব্রাজিল ঐতিহাসিক ম্যাচেও স্টেডিয়ামের হাজার হাজার আসন খালি ছিল কেন

‘আমি এ ভাবে মরে যাওয়ার জন্য তো জন্মাইনি’, জাভেদের জীবনের সেই কঠিন সময়

বলিউডের বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার ও গীতিকার জাভেদ আখতারের জীবনের শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। আজকের পরিচিতি ও সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প।

এমনও সময় গেছে, যখন টানা তিন দিন খাবার জোটেনি তার। জীবনের সেই কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে জন্মদিনে স্বামীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানায়।

জাভেদের একটি পুরোনো ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে শাবানা জানান, ১৯৬৪ সালের ৪ অক্টোবর মাত্র ১৯ বছর বয়সে বোম্বে সেন্ট্রাল স্টেশনে এসে পৌঁছেছিলেন জাভেদ।

পকেটে ছিল মাত্র ২৭ নয়া পয়সা। তবে চোখে ছিল বড় স্বপ্ন।

কিন্তু স্বপ্নের সেই পথ মোটেও সহজ ছিল না। কখনও ফুটপাতে, কখনও রেলস্টেশনে, আবার কখনও কোনো স্টুডিওর চত্বরে রাত কাটাতে হয়েছে তাকে।

অর্থের অভাবে একসময় টানা তিন দিন খাবারও জোটেনি। পরনে ছিল শুধু সেই সময়ের পোশাকটুকু।

এত প্রতিকূলতার মধ্যেও হাল ছাড়েননি জাভেদ। শবানা জানান, জীবনের একেবারে ভেঙে পড়ার মুহূর্তে নিজেকেই সাহস দিয়েছিলেন তিনি। তখন নিজেকে বলেছিলেন, ‘আমি এ ভাবে মরে যাওয়ার জন্য তো জন্মাইনি।

এই দিন বদলাবে।’

জাভেদের সেই আত্মবিশ্বাসই পরবর্তী সময়ে তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। চিত্রনাট্যকার ও গীতিকার হিসেবে ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। পরে হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান।

শাবানা তার লেখায় ১৯৬৪ সালের সেই তরুণ জাভেদের সঙ্গে ২০২৬ সালের জাভেদের তুলনা করেছেন। তার বার্তা, অনেক বড় যাত্রাই প্রায় শূন্য থেকে শুরু হয়। হাতে হয়তো থাকে না অর্থ বা সুযোগ, কিন্তু একটি স্বপ্ন মানুষকে সামনে এগিয়ে নিতে পারে।

জাভেদের জীবনের এই গল্প তুলে ধরে শাবানা লেখেন, তিনি যদি শূন্য থেকে উঠে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন, তাহলে অন্যরাও নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে পারেন। তাঁর আহ্বান—কঠিন সময় এলেও কখনও হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।

ব্যক্তিগত জীবনেও জাভেদ আখতারকে ঘিরে নানা আলোচনা রয়েছে। শাবানাকে বিয়ের আগে চিত্রনাট্যকার হানি ইরানির সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তাদের দুই সন্তান—জোয়া আখতার ও ফারহান আখতার। পরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। ১৯৮৪ সালে শাবানাকে বিয়ে করেন জাভেদ।

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে একসঙ্গে রয়েছেন জাভেদ ও শাবানা। মতের অমিল থাকলেও তাদের সম্পর্কের ভিত বন্ধুত্ব—এমন কথাও বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন শাবানা।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

শেষবারের মত আর্জেন্টিনার অনুশীলন সেশনে মেসি

‘আমি এ ভাবে মরে যাওয়ার জন্য তো জন্মাইনি’, জাভেদের জীবনের সেই কঠিন সময়

আপডেট সময় ০৪:২৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

বলিউডের বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার ও গীতিকার জাভেদ আখতারের জীবনের শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। আজকের পরিচিতি ও সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প।

এমনও সময় গেছে, যখন টানা তিন দিন খাবার জোটেনি তার। জীবনের সেই কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে জন্মদিনে স্বামীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানায়।

জাভেদের একটি পুরোনো ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে শাবানা জানান, ১৯৬৪ সালের ৪ অক্টোবর মাত্র ১৯ বছর বয়সে বোম্বে সেন্ট্রাল স্টেশনে এসে পৌঁছেছিলেন জাভেদ।

পকেটে ছিল মাত্র ২৭ নয়া পয়সা। তবে চোখে ছিল বড় স্বপ্ন।

কিন্তু স্বপ্নের সেই পথ মোটেও সহজ ছিল না। কখনও ফুটপাতে, কখনও রেলস্টেশনে, আবার কখনও কোনো স্টুডিওর চত্বরে রাত কাটাতে হয়েছে তাকে।

অর্থের অভাবে একসময় টানা তিন দিন খাবারও জোটেনি। পরনে ছিল শুধু সেই সময়ের পোশাকটুকু।

এত প্রতিকূলতার মধ্যেও হাল ছাড়েননি জাভেদ। শবানা জানান, জীবনের একেবারে ভেঙে পড়ার মুহূর্তে নিজেকেই সাহস দিয়েছিলেন তিনি। তখন নিজেকে বলেছিলেন, ‘আমি এ ভাবে মরে যাওয়ার জন্য তো জন্মাইনি।

এই দিন বদলাবে।’

জাভেদের সেই আত্মবিশ্বাসই পরবর্তী সময়ে তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। চিত্রনাট্যকার ও গীতিকার হিসেবে ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। পরে হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান।

শাবানা তার লেখায় ১৯৬৪ সালের সেই তরুণ জাভেদের সঙ্গে ২০২৬ সালের জাভেদের তুলনা করেছেন। তার বার্তা, অনেক বড় যাত্রাই প্রায় শূন্য থেকে শুরু হয়। হাতে হয়তো থাকে না অর্থ বা সুযোগ, কিন্তু একটি স্বপ্ন মানুষকে সামনে এগিয়ে নিতে পারে।

জাভেদের জীবনের এই গল্প তুলে ধরে শাবানা লেখেন, তিনি যদি শূন্য থেকে উঠে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন, তাহলে অন্যরাও নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে পারেন। তাঁর আহ্বান—কঠিন সময় এলেও কখনও হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।

ব্যক্তিগত জীবনেও জাভেদ আখতারকে ঘিরে নানা আলোচনা রয়েছে। শাবানাকে বিয়ের আগে চিত্রনাট্যকার হানি ইরানির সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তাদের দুই সন্তান—জোয়া আখতার ও ফারহান আখতার। পরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। ১৯৮৪ সালে শাবানাকে বিয়ে করেন জাভেদ।

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে একসঙ্গে রয়েছেন জাভেদ ও শাবানা। মতের অমিল থাকলেও তাদের সম্পর্কের ভিত বন্ধুত্ব—এমন কথাও বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন শাবানা।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ