চুয়াডাঙ্গায় আন্ত জেলার পাঁচটি রুটের বাস শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু হয়েছে। বাস শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে এ ধর্মঘট পালন করছেন পরিবহন শ্রমিকরা।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে স্থানীয় শ্রমিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে চুয়াডাঙ্গা থেকে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুর এবং জেলার হাসাদহ ও আলমডাঙ্গা রুটে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহীসহ দূরপাল্লার রুটে বাস চলাচল এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।
জানা গেছে, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলার দামুড়হুদার ফকিরপাড়ায় থ্রি-হুইলার ইজি বাইক ও পাখিভ্যানচালকদের সঙ্গে লোকাল বাসের শ্রমিকদের বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এক পর্যায়ে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের চালকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করে ইজি বাইক চালকরা ব্যারিকেড দিয়ে মহাসড়কে যানবাহন আটকে দেন। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের চালকরা। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে ব্যারিকেড তুলে নেন তারা।
এদিকে ধর্মঘটের কারণে আজ সকালে চুয়াডাঙ্গা আন্ত জেলা বাস টার্মিনাল ও দৌলাতদিয়াড় বাসস্ট্যান্ডে সারিবদ্ধভাবে বাস দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে শহরের একাডেমি মোড়, কোর্ট মোড় ও বড়বাজার এলাকায় ইজি বাইকের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে এসব রুটের যাত্রীরা ইজি বাইক ও ব্যাটারিচালিত ভ্যানে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা আন্ত জেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পরিবহন শ্রমিকদের ওপর হামলা ও মহাসড়কে গাড়ি আটকে রাখার প্রতিবাদে শ্রমিকরা ধর্মঘট ডেকেছেন। মহাসড়কে ইজি বাইকের এ ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা মেনে নেওয়া যাবে না। দুপুরে শ্রমিক ও বাস মালিক ঐক্য পরিষদের আলোচনাসভা রয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























