নাশকতার সম্পৃক্ততার সন্দেহ, পাসপোর্ট, এনআইডি ও ড্রাইভিং লাইসেন্সে জন্ম তারিখের ভিন্নতা এবং অসংলগ্ন তথ্যের কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা রবিউল ইসলামকে (৪৪) চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফের আরো সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছেন ডিবি পুলিশ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে রিমান্ড বিষয়ক শুনানি হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে গত বুধবার ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রবিউলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগের এসআই বিনয় কুমার রায়। ওই দিন তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ সময় রবিউলের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
দ্বিতীয় দফার রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, চার দিনের রিমান্ডে আসামির কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
ওই তথ্য যাচাইয়ের জন্য তাকে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।
রিমান্ড আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, রবিউল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মাটিয়া থানার গৌড়ি ভোজ গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ইসলামের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোডের ৬০ নম্বর বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, রবিউল ইসলাম গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন।
তার গতিবিধি ছিল সন্দেহজনক। নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করে তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাসপোর্ট দেখান। এরপর তার কাছে থাকা ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি পরীক্ষা করা হয়। এতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডিতে থাকা জন্ম তারিখের সঙ্গে পাসপোর্টের জন্ম তারিখের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
আবেদনে আরো বলা হয়, রবিউল এর আগেও একাধিকবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করেছেন।
কেন বাংলাদেশে একাধিবার এসেছেন, এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেনি। একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিয়ে তদন্ত বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, রবিউল বাংলাদেশে কোনো ধর্তব্য অপরাধ বা সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে প্রবল সন্দেহ করা হচ্ছে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























