ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে ও মেরিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

চট্টগ্রামে ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে উপলক্ষে মেরিন একাডেমি এলাকায় চারা রোপন করেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে-২০২৬ এবং বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে-এর এবারের প্রতিপাদ্য—‘ফ্রম পলিসি টু প্র্যাকটিস : পাওয়ারিং মেরিটাইম এক্সিলেন্স’। সামুদ্রিক নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ, টেকসই ও উৎকর্ষমুখী মেরিটাইম খাত গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবারের প্রতিপাদ্যে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দিবসটি উপলক্ষে চট্টগ্রামের জুলদিয়ায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিতে গার্ড অব অনার, প্যারেড পরিদর্শন, শোভাযাত্রা, বেলুন উড়ানো, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম এমপি এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া।

এ সময় ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, মেরিটাইম খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্যাডেট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন এবং সফেদা, আমলকী ও আমড়া চারা রোপণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শুধু সমুদ্রগামী নাবিক তৈরির মধ্যে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। শিপ ম্যানেজমেন্ট, বন্দর পরিচালনা, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত, জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, মেরিন ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন শোর-বেইজড মেরিটাইম সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক প্রযুক্তি, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক মেরিটাইম কনভেনশনের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন কাজী এবিএম শামীম বলেন, ‘নীতি থেকে বাস্তবায়ন এবং সম্ভাবনা থেকে উৎকর্ষের পথে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে টেকসই অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।’

উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি আন্তর্জাতিক মানের মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও)-এর এসটিসিডব্লিউ মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ ২০০০ সাল থেকে আইএমও-এর ‘হোয়াইট লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে টানা দ্বিতীয়বার বর্ষসেরা বেলিংহাম

ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে ও মেরিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আপডেট সময় ০৮:১৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে উপলক্ষে মেরিন একাডেমি এলাকায় চারা রোপন করেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে-২০২৬ এবং বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ডে-এর এবারের প্রতিপাদ্য—‘ফ্রম পলিসি টু প্র্যাকটিস : পাওয়ারিং মেরিটাইম এক্সিলেন্স’। সামুদ্রিক নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ, টেকসই ও উৎকর্ষমুখী মেরিটাইম খাত গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবারের প্রতিপাদ্যে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দিবসটি উপলক্ষে চট্টগ্রামের জুলদিয়ায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিতে গার্ড অব অনার, প্যারেড পরিদর্শন, শোভাযাত্রা, বেলুন উড়ানো, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম এমপি এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া।

এ সময় ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, মেরিটাইম খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্যাডেট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন এবং সফেদা, আমলকী ও আমড়া চারা রোপণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শুধু সমুদ্রগামী নাবিক তৈরির মধ্যে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। শিপ ম্যানেজমেন্ট, বন্দর পরিচালনা, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত, জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, মেরিন ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন শোর-বেইজড মেরিটাইম সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক প্রযুক্তি, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক মেরিটাইম কনভেনশনের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন কাজী এবিএম শামীম বলেন, ‘নীতি থেকে বাস্তবায়ন এবং সম্ভাবনা থেকে উৎকর্ষের পথে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে টেকসই অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।’

উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি আন্তর্জাতিক মানের মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও)-এর এসটিসিডব্লিউ মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ ২০০০ সাল থেকে আইএমও-এর ‘হোয়াইট লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস