পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার কোহাটে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলার পর শুরু হওয়া অভিযান শেষ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় পুলিশ বিভাগ (সিপিও)।
অভিযানে আট জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সিপিও।
শনিবার এক বিবৃতিতে সিপিও জানায়, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে ওই আট জঙ্গি নিহত হয়। নিহতরা সবাই পাকিস্তানে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় কোহাট শহরের পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মোট ৩১ জন নিহত এবং আরও ১০৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২২ জন পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জুমার নামাজ চলাকালে কোহাটে অবস্থিত পুলিশ সদর দপ্তরের একটি মসজিদের প্রবেশদ্বারে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি নিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় হামলাকারী। সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মসজিদের একাংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলায় অন্তত ছয়জন হামলাকারী নিহত হন।
হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এর দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় টিটিপি।
খাইবার পাখতুনখোয়া পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জুলফিকার হামিদ জিও নিউজকে জানিয়েছেন, অভিযানে নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি এলিট ফোর্সের কমান্ডো এবং কাউন্টার টেররিজম বিভাগের কয়েকটি পুলিশ টিম অংশ নেয়।
আইজিপি হামিদ আরও জানান, মসজিদের এমন একটি স্থানে হামলা হয়েছে, যেখান থেকে কোহাট জেলা আদালতের প্রধান ফটক বেশ কাছাকাছি। হামলার পর দেশজুড়ে পুলিশ লাইনের আশপাশে থাকা সব দপ্তর ও জেলা আদালত সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া কোহাট জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। শহরের সব প্রবেশ ও নির্গমনপথে পুলিশ চৌকি বসানো হয়েছে। কোহাটে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া ব্যক্তিদের সবার নাম-পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















