ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাইবার সুরক্ষা আইনে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি রয়েছে : এইচআরএসএস Logo মোদির জন্মদিনে পুতিনের শুভেচ্ছা, বন্ধুত্বের উষ্ণ বার্তা Logo ‘দাউদের আমন্ত্রণে শারজাহ যাইনি’ বিতর্কিত ছবি নিয়ে মন্দাকিনী Logo গয়না ডাকাতির মামলায় ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ পেলেন কিম কার্দাশিয়ান Logo চাঁদে বিশাল নতুন গর্তের সন্ধান পেল নাসার মহাকাশযান Logo কালো উইকেটে প্রস্তুতি লিটন-শান্তদের Logo এআই যেন মানবতার সেবায় থাকে, প্রযুক্তি নেতাদের বলবেন রাজা চার্লস Logo রংপুরসহ ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা Logo গুলশান-ধানমণ্ডি- নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক নিষিদ্ধ বিপিএলের ২ কর্মকর্তা

ভারতে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার এম এ খালেক মোজাহার আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান।

জানা গেছে, ভারতে যাওয়ার জন্য দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গেলে তার কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ হয়।

পরে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে গাংনী থেকে আসা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে মেহেরপুরের গাংনীর উদ্দেশে রওনা হয়।

ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্র জানায়, এম এ খালেক চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল ভিসায় ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

সকালে দর্শনা ইমিগ্রেশনে তার কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় সন্দেহ হলে মেহেরপুরের গাংনীতে তার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা থাকার তথ্য নিশ্চিত হলে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল গাংনী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এম এ খালেকের ছেলে আসিফ রেজার দাবি, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং হৃদ্‌যন্ত্রে ব্লক রয়েছে।

বাইপাস সার্জারির জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছিল। বাবার নামে থাকা মামলাগুলোর সবকটিতেই তিনি জামিনে রয়েছেন।

দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সাব-ইন্সপেক্টর তারিক জানান, এম এ খালেকের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা থাকায় সন্দেহ হয়। পরে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সাইবার সুরক্ষা আইনে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি রয়েছে : এইচআরএসএস

ভারতে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৩:১২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার এম এ খালেক মোজাহার আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান।

জানা গেছে, ভারতে যাওয়ার জন্য দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গেলে তার কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ হয়।

পরে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে গাংনী থেকে আসা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে মেহেরপুরের গাংনীর উদ্দেশে রওনা হয়।

ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্র জানায়, এম এ খালেক চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল ভিসায় ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

সকালে দর্শনা ইমিগ্রেশনে তার কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় সন্দেহ হলে মেহেরপুরের গাংনীতে তার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা থাকার তথ্য নিশ্চিত হলে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল গাংনী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এম এ খালেকের ছেলে আসিফ রেজার দাবি, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং হৃদ্‌যন্ত্রে ব্লক রয়েছে।

বাইপাস সার্জারির জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছিল। বাবার নামে থাকা মামলাগুলোর সবকটিতেই তিনি জামিনে রয়েছেন।

দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সাব-ইন্সপেক্টর তারিক জানান, এম এ খালেকের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা থাকায় সন্দেহ হয়। পরে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ