অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি ও নীতি-নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রাকিবুল আলম মামুন নামের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামুন যদুবয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
তিনি উপজেলা নিষিদ্ধ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গড়াই সেতু এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কনটেন্ট তৈরির জন্য তিনি নিজের বাসা ও কুমারখালীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষকে নিয়ে ভিডিও তৈরি করতেন। মামুনের বিরুদ্ধে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি ও শিক্ষকতার নীতি-নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মঙ্গলবার বিকেলে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা এনসিপির সদস্যসচিব আলামিন হোসেন আকাশ।
অভিযোগ রয়েছে, ভিডিও বানানোর জন্য মামুন নিজের বাসা ও কুমারখালীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষকে নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতেন। তবে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্টের ঘটনায় মামুনের ভূমিকা ছিল। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির অভিযোগের বিষয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। মঙ্গলবার রাতে মামুনকে কুমারখালী থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকতার পাশাপাশি মামুন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কনটেন্ট তৈরি শুরু করেন।
পরবর্তী সময়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তিনি পরিচিতি পান।























