সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৩১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাটিং ব্যর্থতার পরও শেখ মেহেদীর ২২ বলে ২৯ রানের ইনিংসে ভয় করে মামুলি সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা।
বুধবার চট্টগ্রামে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই সাজধরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান। বাংলাদেশের ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই শুরুর জুটি ভেঙে দেন স্পেন্সার জনসন। অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি খেলতে গিয়ে টাইমিং করতে ব্যর্থ হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এতে করে ক্যাচ তুলে দেন জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে। এতে ৯ বলে ১০ রানেই থামেন তিনি।
তার বিদায়ের মাধ্যমে ১৭ বলে ২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। এরপর কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন সাইফ হাসান। তবে পাওয়ার প্লের মধ্যেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। অফ স্পিনার ম্যাট রেনশের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দেন ১৪ বলে ২০ রান করা সাইফ।
এক প্রান্তে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্তে আগ্রাসী শুরু করেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। উইকেটে এসেই ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন তিনি। তবে তার ইনিংসও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অ্যাডাম জাম্পার গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ৫ বলে ৮ রান করেন এই ব্যাটার।
হৃদয়ের বিদায়ের পর সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন। তবে সাত ওভারে দলীয় রান তিন উইকেটে ৫৭ হওয়ার পর আবারও বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। সৌম্য সরকার আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে বিদায় নেন। লেগ স্পিনার জাম্পার বলে তার শটটি ডিপ কাভারে দৌড়ে এসে তালুবন্দি করেন নিখিল চৌধুরি। ১৮ বলে ১৭ রান করেন সৌম্য।
নবম ওভারে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় চার উইকেটে ৬৮। এরপর উইকেটে আসেন অভিষিক্ত অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাইকলাইন। ইনিংসের মাঝপথে আঘাত হানের বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিস। নিজের দ্বিতীয় বলেই উইকেট তুলে নেন তিনি। পারভেজ হোসেন স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ধরা পড়েন। ১২ বলে ১০ রান করে ফেরেন পারভেজ।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ