ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী Logo সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, আর তা নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম Logo ঢাকা থেকে দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত: ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলাচল বন্ধ ঘোষণা Logo আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo যে কোম্পানিতে চাকরি, সেই কোম্পানিরই সাড়ে ১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo ইয়েমেনে রাজধানীতে ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি, বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ সৌদি জোটের Logo প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী Logo চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি Logo ড. ইউনূসের সঙ্গে সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় শেখ হাসিনারই Logo স্বস্তি দিতে গিয়েই অস্বস্তিতে সৌদি আরব?

চাঁদপুরে ৭ মুসল্লি নিয়ে হয়ে গেলো ঈদের জামাত, এলাকায় চাঞ্চল্য

সাধারণত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন হয়ে থাকে। তবে চলতি বছর ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় মাত্র ৭ জন মুসল্লি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দুদিন আগেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে মাইকে ‘ঈদ মোবারক’ ঘোষণা দিয়ে একটি ছোট জামাতের মাধ্যমে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়ভাবে পরিচিত সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর ছেলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের অনুসারীরা এই নামাজে অংশ নেন। জামাতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লি সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ জন।

জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের চেয়েও একদিন আগে ঈদ উদযাপনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আন্তর্জাতিকভাবে চাঁদ দেখার তথ্যের ভিত্তিতে। বিশেষ করে আফগানিস্তানসহ পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি ও নাইজারে চাঁদ দেখার খবরকে কেন্দ্র করে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন। ওই দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে প্রথমবারের মতো চাঁদপুরের এই অংশে আগাম ঈদ উদযাপন করা হলো।

এ বিষয়ে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, নাইজার, মালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা গেছে। ইসলাম একটি বৈশ্বিক ধর্ম, চাঁদও একটি। তাই ঈদও একই দিনে হওয়া উচিত। সেই বিশ্বাস থেকেই আমরা আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছি।

তবে একই দরবার শরিফের ভেতরেই এ নিয়ে মতভেদ দেখা গেছে।

দরবারের আরেক অনুসারী ইয়াহিয়া চৌধুরী জানান, আমাদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। যারা নামাজ আদায় করেছে, তারা চাঁদ দেখার তথ্যকে গ্রহণযোগ্য মনে করেছে। কিন্তু আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, আফগানিস্তানে ওই সময় চাঁদ দেখার সম্ভাবনা ছিল না। তাই আমরা সেটি গ্রহণ করিনি।

স্থানীয়দের মতে, এত অল্প সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে এবং প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ঈদ উদযাপনের ঘটনা আগে কখনও দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী

চাঁদপুরে ৭ মুসল্লি নিয়ে হয়ে গেলো ঈদের জামাত, এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট সময় ০৪:০৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

সাধারণত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন হয়ে থাকে। তবে চলতি বছর ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় মাত্র ৭ জন মুসল্লি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দুদিন আগেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে মাইকে ‘ঈদ মোবারক’ ঘোষণা দিয়ে একটি ছোট জামাতের মাধ্যমে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়ভাবে পরিচিত সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর ছেলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের অনুসারীরা এই নামাজে অংশ নেন। জামাতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লি সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ জন।

জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের চেয়েও একদিন আগে ঈদ উদযাপনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আন্তর্জাতিকভাবে চাঁদ দেখার তথ্যের ভিত্তিতে। বিশেষ করে আফগানিস্তানসহ পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি ও নাইজারে চাঁদ দেখার খবরকে কেন্দ্র করে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন। ওই দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে প্রথমবারের মতো চাঁদপুরের এই অংশে আগাম ঈদ উদযাপন করা হলো।

এ বিষয়ে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, নাইজার, মালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা গেছে। ইসলাম একটি বৈশ্বিক ধর্ম, চাঁদও একটি। তাই ঈদও একই দিনে হওয়া উচিত। সেই বিশ্বাস থেকেই আমরা আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছি।

তবে একই দরবার শরিফের ভেতরেই এ নিয়ে মতভেদ দেখা গেছে।

দরবারের আরেক অনুসারী ইয়াহিয়া চৌধুরী জানান, আমাদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। যারা নামাজ আদায় করেছে, তারা চাঁদ দেখার তথ্যকে গ্রহণযোগ্য মনে করেছে। কিন্তু আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, আফগানিস্তানে ওই সময় চাঁদ দেখার সম্ভাবনা ছিল না। তাই আমরা সেটি গ্রহণ করিনি।

স্থানীয়দের মতে, এত অল্প সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে এবং প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ঈদ উদযাপনের ঘটনা আগে কখনও দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি