ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ

‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’ প্রতিপাদ্যে আজ সোমবার পালিত হতে যাচ্ছে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। প্রতিবছর ২ নভেম্বর দিবসটি পালিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আজ সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শোভাযাত্রা। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার হলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর ডিএমসিএইচ ব্লাড ব্যাংকে সন্ধানী প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে সন্ধানী আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষদান দিবস’ ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের ‘পথিকৃৎ’ সন্ধানী। রক্তদানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি মানুষের চক্ষু ব্যাংক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

মৃত্যুর আগে স্বেচ্ছা প্রণোদিত চক্ষুদানের বিষয়ে উত্সাহ দিয়ে থাকে সন্ধানী, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ব্যবহার করতে পারে সেই চোখ।

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি এ পর্যন্ত চার হাজার ২০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করে। এর মাধ্যমে তিন হাজার ৫২৫ জন অন্ধ মানুষের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পেরেছে তারা। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখের মতো। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখের মতো কর্নিয়াজনিত অন্ধ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ

আপডেট সময় ১০:২২:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’ প্রতিপাদ্যে আজ সোমবার পালিত হতে যাচ্ছে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। প্রতিবছর ২ নভেম্বর দিবসটি পালিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আজ সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শোভাযাত্রা। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার হলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর ডিএমসিএইচ ব্লাড ব্যাংকে সন্ধানী প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে সন্ধানী আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষদান দিবস’ ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের ‘পথিকৃৎ’ সন্ধানী। রক্তদানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি মানুষের চক্ষু ব্যাংক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

মৃত্যুর আগে স্বেচ্ছা প্রণোদিত চক্ষুদানের বিষয়ে উত্সাহ দিয়ে থাকে সন্ধানী, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ব্যবহার করতে পারে সেই চোখ।

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি এ পর্যন্ত চার হাজার ২০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করে। এর মাধ্যমে তিন হাজার ৫২৫ জন অন্ধ মানুষের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পেরেছে তারা। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখের মতো। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখের মতো কর্নিয়াজনিত অন্ধ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ