জামালপুর সদরে যৌতুক না পেয়ে শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যার মামলায় স্বামী জনি মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন। আসামি জনি মিয়া পলাতক রয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত জনি মিয়া (৩৫) উপজেলার দড়িমোহনপুর এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে সদর উপজেলার লাহিড়ীকান্দা এলাকার উম্মে কুলছুমের মেয়ে তমা খাতুনের সঙ্গে দড়িমোহনপুর এলাকার জনি মিয়ার বিয়ে হয়।
বিয়ের সময় কনের পরিবার পাঁচ হাজার টাকার হাঁড়িপাতিল ও কাপড়চোপড় দেয়। বিয়ের কয়েক মাস পর অটোরিকশা কেনার জন্য শ্বশুরবাড়ির কাছে আড়াই লাখ টাকা দাবি করেন জনি। দরিদ্র পরিবারটি ওই টাকা দিতে না পারায় তমার ওপর নির্যাতন শুরু করেন জনি। এক পর্যায়ে ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ দুপুরে তমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা উম্মে কুলছুম বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।
জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফজলুল হক বলেন, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত জনি মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























