ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাবেক এমপি আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা Logo মিরপুর-১ নম্বরে আড়াই ঘণ্টার অভিযানে ২ হাজার দোকান উচ্ছেদ Logo গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন Logo শুধু একটি নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির: সিইসি Logo ‘অর্ধেক প্লেট খাবার খাওয়ার পর দেখি আমার প্লেটে সেদ্ধ টিকটিকি’ Logo গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চালাল ডিএসসিসি Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও গভীর করতে ‘সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপের’ প্রস্তাব Logo এবার তানজিন তিশাকে আইনি নোটিশ, ২ দিনের আলটিমেটাম Logo এবারও জন্মদিনে ‘মান্নাত’-এ দেখা মিলবে না শাহরুখের Logo কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে রজনীকান্ত-প্রভাস, আসছেন কঙ্গনাও!

বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৪০ শতাংশ

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের জন্য বিদেশি ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। তবে নতুন অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি বাড়লেও এ সময়ে বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় কমেছে।

একই সঙ্গে বেড়েছে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের চাপ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে উন্নয়ন সহযোগীরা ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার ডলারের ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সেই হিসাবে প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

নতুন প্রতিশ্রুতির মধ্যে ঋণ ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং অনুদান ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, এ সময়ে বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় হয়েছে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে ছাড় হয়েছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অর্থছাড় কমেছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ ব্যয় ছিল ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সে হিসাবে ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

ইআরডির হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ে ঋণের আসল বাবদ ৮৫ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং সুদ বাবদ ৪৯ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।

এদিকে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি)।

এ অর্থায়ন বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি পরিশোধন সক্ষমতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে।

বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বাড়লেও তা বাস্তবে পেতে সময়মতো অর্থছাড় এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক এমপি আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৪০ শতাংশ

আপডেট সময় ১১:৪৯:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের জন্য বিদেশি ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। তবে নতুন অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি বাড়লেও এ সময়ে বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় কমেছে।

একই সঙ্গে বেড়েছে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের চাপ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে উন্নয়ন সহযোগীরা ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার ডলারের ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সেই হিসাবে প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

নতুন প্রতিশ্রুতির মধ্যে ঋণ ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং অনুদান ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, এ সময়ে বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় হয়েছে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে ছাড় হয়েছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অর্থছাড় কমেছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ ব্যয় ছিল ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সে হিসাবে ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

ইআরডির হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ে ঋণের আসল বাবদ ৮৫ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং সুদ বাবদ ৪৯ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।

এদিকে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি)।

এ অর্থায়ন বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি পরিশোধন সক্ষমতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে।

বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বাড়লেও তা বাস্তবে পেতে সময়মতো অর্থছাড় এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ