ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘এ ধরনের অবকাঠামো উদ্যানের মধ্যে আমি পৃথিবীর কোথাও দেখিনি’ Logo আদালত থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত, তদন্তে কমিটি Logo সাবেক সচিব ধনঞ্জয়কে আত্মসমর্পণ করতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ Logo জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়ন করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo হাজারো ছাত্র-শিক্ষকের মিছিলে উত্তাল ফ্রান্স Logo আদালত ভবন থেকে লাফ দিয়ে কলেজ ক্যাশিয়ারের আত্মহত্যা Logo দেশে ধর্মের নামে বিভাজন ও সাম্প্রদায়িকতা চাই না : রাষ্ট্রপতি Logo সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার Logo ওমান উপকূলে ট্যাংকারে হামলা, ১১ ভারতীয় ক্রু আহত Logo ‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ : সালমান মুক্তাদিরের মন্তব্যের জবাব দিলেন নাসির

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক–সাংস্কৃতিক বিশ্বাস কাজ করে: সিইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি খুবই কম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তার মতে, এ ক্ষেত্রে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস বড় ভূমিকা পালন করে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে লিঙ্গসমতা নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় সিইসি এ কথাগুলো বলেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নারীদের কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। শুধু ভোটার হিসেবে নয়, প্রার্থী, প্রচারক, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচনের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবেও নারীদের স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে এ বিষয়ে বিধান রয়েছে। এরপরও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন আইন বাস্তবায়নে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। তাই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে অন্যান্য অংশীজনের অঙ্গীকারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণকে সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, প্রশাসন, শিক্ষা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগসহ জনজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই করতে হলে দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ নারী নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সিইসি আরও বলেন, নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর কৌশল নির্ধারণের সময় দেশের সংস্কৃতি ও মানুষের বিশ্বাসকে বিবেচনায় রাখতে হবে। তা না হলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

‘এ ধরনের অবকাঠামো উদ্যানের মধ্যে আমি পৃথিবীর কোথাও দেখিনি’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক–সাংস্কৃতিক বিশ্বাস কাজ করে: সিইসি

আপডেট সময় ০৩:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি খুবই কম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তার মতে, এ ক্ষেত্রে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস বড় ভূমিকা পালন করে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে লিঙ্গসমতা নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় সিইসি এ কথাগুলো বলেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নারীদের কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। শুধু ভোটার হিসেবে নয়, প্রার্থী, প্রচারক, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচনের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবেও নারীদের স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে এ বিষয়ে বিধান রয়েছে। এরপরও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন আইন বাস্তবায়নে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। তাই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে অন্যান্য অংশীজনের অঙ্গীকারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণকে সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, প্রশাসন, শিক্ষা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগসহ জনজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই করতে হলে দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ নারী নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সিইসি আরও বলেন, নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর কৌশল নির্ধারণের সময় দেশের সংস্কৃতি ও মানুষের বিশ্বাসকে বিবেচনায় রাখতে হবে। তা না হলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ