ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জলবায়ু অর্থায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo মেধাস্বত্ব সুরক্ষার মাধ্যমে রপ্তানি বহুমুখীকরণে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে: শিল্পমন্ত্রী Logo অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযান Logo ময়মনসিংহে দুই বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত Logo না ফেরার দেশে সাংবাদিক কাজিম রেজা Logo ৫৯ দস্যুর আত্মসমর্পণ অস্ত্রধারী এবং সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় নেই : র‌্যাবের মহাপরিচালক Logo তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতের সমস্যা দ্রুত সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo কানাডায় গ্লোবাল ফেস্টে লাল-সবুজের পতাকা Logo ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যের পাঠ্যবই কিনতে ৭৩৯ কোটি টাকা অনুমোদন Logo হোয়াটসঅ্যাপে এলো নতুন ফিচার

নতুন প্রজন্ম কেন মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক সহ্যশক্তি হারাচ্ছে

বেশি দিন আগের কথা নয়, কিছুদিন আগেও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, মনোযোগের অভাব এবং মানসিক ক্লান্তির মতো বিষয়গুলোকে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে ২০-৩০ বছরে পা রাখা তরুণদের মধ্যেও এ ধরনের সমস্যাগুলো হরহামেশাই দেখা যাচ্ছে।

অনেকে রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানোর পরও মানসিক ক্লান্তি অনুভব করেন, ছোট ছোট সাধারণ বিষয়গুলোও ভুলে যান এবং মিটিংয়ে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া বা আগের মতো অল্প সময়ের মধ্যে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারেন না―এমন অভিযোগও শোনা যায়। এসব সমস্যাগুলোকে বলা হয় ‘ব্রেইন বার্নআউট’।

স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম হেলথ শটসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান জীবনযাত্রা মস্তিষ্কের ওপর ব্যাপকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে ভারতের নয়ডার ফোর্টিস হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. নেহা পণ্ডিতা বলেন, ক্রমশ নোটিফিকেশন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনটাইম, মাল্টিটাস্কিং, কাজের চাপ ও দিন-রাত অনলাইনে অ্যাভেইলঅ্যাবল থাকার কারণে মন শান্ত হওয়ার সুযোগ খুবই কম পায়। মানব মস্তিষ্কের যেমন তীব্র মনোযোগের প্রয়োজন, একইভাবে পুনরুদ্ধারের জন্য যথেষ্ট বিশ্রামেরও প্রয়োজন রয়েছে।

এ নিউরোলজিস্ট বলেন, মস্তিষ্ক যখন ক্রমশ ধারাবাহিকভাবে একের পর কাজের মধ্যে পরিবর্তন হতে থাকে, তখন এর কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। যা আমাদের মনোযোগের স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, স্মৃতি থেকে তথ্য পুনরুদ্ধারের গতি ধীর করে এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি করে।

উচ্চ কর্টিসল কি ক্ষতিকর:
মনোযোগ কমে যাওয়া, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া ও সহ্যশক্তি কমে যাওয়ার পেছনে আরেকটি অন্যতম কারণ হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ। স্ট্রেস হরমোন, বিশেষ করে কর্টিসলের মাত্রা অতিরিক্ত বাড়লে তা শিক্ষা, স্মৃতিশক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মস্তিষ্কের ক্ষেত্রগুলোকে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া, বারবার কোনো কিছু ভুলে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া এবং মানসিকভাবে ঝাপসা বা অস্পষ্ট অনুভব করতে পারেন। এসব লক্ষণগুলো যদিও সাময়িক, তবে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে কাজের কর্মক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আমাদের জীবনযাত্রার অভ্যাসও বিশাল ভূমিকা পালন করে। অপর্যাপ্ত ঘুম, নিম্নমানের খাবার, শারীরিক চর্চার অভাব এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ করা হলে তাৎক্ষণিক হয়তো শক্তিশালী অনুভব হয়। কিন্তু এসব দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। স্মৃতিশক্তি একত্রীকরণ ও মানসিক ক্লান্তি দূর করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কথিত রয়েছে―মাত্র কয়েক রাতের খারাপ ঘুম মানসিক তীক্ষ্মতা ও উৎপাদনশীলতায় মারাত্মকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।

পরিপূর্ণ মানসিক কর্মক্ষমতার জন্য ৭ ঘণ্টা ঘুম কি যথেষ্ট:
আশার খবর হচ্ছে, সঠিক সময় যদি সঠিক পদক্ষেপ নেয়া হয়, তাহলে ব্রেইন বার্নআউট থেকে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। কারণ, সুস্থ অভ্যাসের চর্চা আপনার মানসিক কর্মক্ষমতা বেশ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। প্রতি রাতে প্রায় সাত থেকে আট ঘণ্টার গভীর ঘুম, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, ফলমূল, শাক-সবজি, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি শরীর হাইড্রেটেড রাখার চেষ্টা করতে হবে। কেননা, হাইড্রেটেড শরীর মস্তিষ্ককে সেরা কর্মক্ষমতায় রাখতে ভূমিকা রাখে। ক্রমশ মাল্টিটাস্কিংয়ের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট কাজে মনোযোগ দেয়া, স্ক্রিন আওয়ারে নিয়ম করে বিরতি নেয়া এবং কর্ম-ঘণ্টার পর অফিসের কাজে যোগাযোগের মাত্রায় সীমা নির্ধারণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

ডা. নেহা পণ্ডিতা বলেন, মাইন্ডফুলনেস চর্চা, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এবং মেডিটেশন আপনার মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। বাসা-বাড়ির বাইরে সময় কাটানো, শখের কাজ করা এবং প্রিয়জনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখাও আবেগীয় ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য বেশ সহায়ক।

তবে, টানা দীর্ঘদিনের লক্ষণ বা সমস্যাগুলোকে শুধু অতিরিক্ত ব্যস্ততা বলে কখনো অবহেলা করা যাবে না। যদি স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ বা মানসিক ক্লান্তির মতো সমস্যা থাকে কিংবা সমস্যাগুলো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়, যা আপনার দৈনন্দিন কাজকে ব্যাহত করে, মেজাজ খিটখিটে করে, ঘুম বা আচরণের পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়, তাহলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যদিও এসব সমস্যা অনেক সময় পুষ্টির ঘাটতি, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত প্রদান করে। এরপরও চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

বার্নআউট কমাতে ব্যায়াম কতটা উপকারী:
যখন মন ও মস্তিষ্কের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে, তখন মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেইন বার্নআউটের প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে মানসিক সুস্থতার জন্য আগেই পদক্ষেপ নিতে হবে। যা তরুণদের দীর্ঘমেয়াদে মনোযোগী হওয়া, উৎপাদনশীল এবং সহনশীল হতে ভূমিকা রাখবে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

জলবায়ু অর্থায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নতুন প্রজন্ম কেন মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক সহ্যশক্তি হারাচ্ছে

আপডেট সময় ০৮:২০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেশি দিন আগের কথা নয়, কিছুদিন আগেও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, মনোযোগের অভাব এবং মানসিক ক্লান্তির মতো বিষয়গুলোকে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে ২০-৩০ বছরে পা রাখা তরুণদের মধ্যেও এ ধরনের সমস্যাগুলো হরহামেশাই দেখা যাচ্ছে।

অনেকে রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানোর পরও মানসিক ক্লান্তি অনুভব করেন, ছোট ছোট সাধারণ বিষয়গুলোও ভুলে যান এবং মিটিংয়ে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া বা আগের মতো অল্প সময়ের মধ্যে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারেন না―এমন অভিযোগও শোনা যায়। এসব সমস্যাগুলোকে বলা হয় ‘ব্রেইন বার্নআউট’।

স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম হেলথ শটসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান জীবনযাত্রা মস্তিষ্কের ওপর ব্যাপকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে ভারতের নয়ডার ফোর্টিস হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. নেহা পণ্ডিতা বলেন, ক্রমশ নোটিফিকেশন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনটাইম, মাল্টিটাস্কিং, কাজের চাপ ও দিন-রাত অনলাইনে অ্যাভেইলঅ্যাবল থাকার কারণে মন শান্ত হওয়ার সুযোগ খুবই কম পায়। মানব মস্তিষ্কের যেমন তীব্র মনোযোগের প্রয়োজন, একইভাবে পুনরুদ্ধারের জন্য যথেষ্ট বিশ্রামেরও প্রয়োজন রয়েছে।

এ নিউরোলজিস্ট বলেন, মস্তিষ্ক যখন ক্রমশ ধারাবাহিকভাবে একের পর কাজের মধ্যে পরিবর্তন হতে থাকে, তখন এর কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। যা আমাদের মনোযোগের স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, স্মৃতি থেকে তথ্য পুনরুদ্ধারের গতি ধীর করে এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি করে।

উচ্চ কর্টিসল কি ক্ষতিকর:
মনোযোগ কমে যাওয়া, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া ও সহ্যশক্তি কমে যাওয়ার পেছনে আরেকটি অন্যতম কারণ হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ। স্ট্রেস হরমোন, বিশেষ করে কর্টিসলের মাত্রা অতিরিক্ত বাড়লে তা শিক্ষা, স্মৃতিশক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মস্তিষ্কের ক্ষেত্রগুলোকে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া, বারবার কোনো কিছু ভুলে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া এবং মানসিকভাবে ঝাপসা বা অস্পষ্ট অনুভব করতে পারেন। এসব লক্ষণগুলো যদিও সাময়িক, তবে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে কাজের কর্মক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আমাদের জীবনযাত্রার অভ্যাসও বিশাল ভূমিকা পালন করে। অপর্যাপ্ত ঘুম, নিম্নমানের খাবার, শারীরিক চর্চার অভাব এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ করা হলে তাৎক্ষণিক হয়তো শক্তিশালী অনুভব হয়। কিন্তু এসব দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। স্মৃতিশক্তি একত্রীকরণ ও মানসিক ক্লান্তি দূর করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কথিত রয়েছে―মাত্র কয়েক রাতের খারাপ ঘুম মানসিক তীক্ষ্মতা ও উৎপাদনশীলতায় মারাত্মকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।

পরিপূর্ণ মানসিক কর্মক্ষমতার জন্য ৭ ঘণ্টা ঘুম কি যথেষ্ট:
আশার খবর হচ্ছে, সঠিক সময় যদি সঠিক পদক্ষেপ নেয়া হয়, তাহলে ব্রেইন বার্নআউট থেকে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। কারণ, সুস্থ অভ্যাসের চর্চা আপনার মানসিক কর্মক্ষমতা বেশ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। প্রতি রাতে প্রায় সাত থেকে আট ঘণ্টার গভীর ঘুম, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, ফলমূল, শাক-সবজি, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি শরীর হাইড্রেটেড রাখার চেষ্টা করতে হবে। কেননা, হাইড্রেটেড শরীর মস্তিষ্ককে সেরা কর্মক্ষমতায় রাখতে ভূমিকা রাখে। ক্রমশ মাল্টিটাস্কিংয়ের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট কাজে মনোযোগ দেয়া, স্ক্রিন আওয়ারে নিয়ম করে বিরতি নেয়া এবং কর্ম-ঘণ্টার পর অফিসের কাজে যোগাযোগের মাত্রায় সীমা নির্ধারণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

ডা. নেহা পণ্ডিতা বলেন, মাইন্ডফুলনেস চর্চা, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এবং মেডিটেশন আপনার মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। বাসা-বাড়ির বাইরে সময় কাটানো, শখের কাজ করা এবং প্রিয়জনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখাও আবেগীয় ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য বেশ সহায়ক।

তবে, টানা দীর্ঘদিনের লক্ষণ বা সমস্যাগুলোকে শুধু অতিরিক্ত ব্যস্ততা বলে কখনো অবহেলা করা যাবে না। যদি স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ বা মানসিক ক্লান্তির মতো সমস্যা থাকে কিংবা সমস্যাগুলো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়, যা আপনার দৈনন্দিন কাজকে ব্যাহত করে, মেজাজ খিটখিটে করে, ঘুম বা আচরণের পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়, তাহলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যদিও এসব সমস্যা অনেক সময় পুষ্টির ঘাটতি, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত প্রদান করে। এরপরও চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

বার্নআউট কমাতে ব্যায়াম কতটা উপকারী:
যখন মন ও মস্তিষ্কের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে, তখন মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেইন বার্নআউটের প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে মানসিক সুস্থতার জন্য আগেই পদক্ষেপ নিতে হবে। যা তরুণদের দীর্ঘমেয়াদে মনোযোগী হওয়া, উৎপাদনশীল এবং সহনশীল হতে ভূমিকা রাখবে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস