ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বহুপাক্ষিকতা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আসছে। তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রায় ১৫০ দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, সংস্থাটির সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্ন নয়, বরং এটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।

এর আগে সকালে মিশনের অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশিষ্টজনদের বাণী পাঠ এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বহুপাক্ষিকতা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আসছে। তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রায় ১৫০ দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, সংস্থাটির সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্ন নয়, বরং এটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।

এর আগে সকালে মিশনের অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশিষ্টজনদের বাণী পাঠ এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এবি