ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী Logo সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, আর তা নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম Logo ঢাকা থেকে দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত: ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলাচল বন্ধ ঘোষণা Logo আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo যে কোম্পানিতে চাকরি, সেই কোম্পানিরই সাড়ে ১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo ইয়েমেনে রাজধানীতে ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি, বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ সৌদি জোটের Logo প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী Logo চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি Logo ড. ইউনূসের সঙ্গে সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় শেখ হাসিনারই Logo স্বস্তি দিতে গিয়েই অস্বস্তিতে সৌদি আরব?

যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন দমাতে প্রজেক্ট এসথার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী রক্ষণশীল থিংক ট্যাঙ্ক দ্য হেরিটেজ ফাউন্ডেশন গত বছর একটি নীতিমালা প্রকাশ করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিন সংহতি আন্দোলন ভন্ডুল করা। সেই নীতিমালাটির নাম ‘প্রজেক্ট এসথার’।

প্রথমে এটি খুব বেশি নজর কাড়েনি, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুপারিশ অনুসারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এটি বর্তমানে মিডিয়া ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

এই প্রকল্পে ফিলিস্তিনপন্থী গোষ্ঠী ও ছাত্র সংগঠনগুলোকে ‘হামাস সমর্থক নেটওয়ার্ক’ নামে অভিহিত করে বলা হয়েছে, তারা সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দিচ্ছে—যা মানবাধিকার কর্মীদের মতে ভিত্তিহীন ও মিথ্যাচার।

প্রজেক্ট এসথার কী?

এটি ২৪ মাসের মধ্যে তথাকথিত ‘হামাস সমর্থক নেটওয়ার্ক’কে ধ্বংস করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত নথি। এতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন আসলে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করছে, যদিও এমন কোনও নেটওয়ার্ক বাস্তবে বিদ্যমান নেই।

কীভাবে এই প্রকল্প কার্যকর হচ্ছে?

হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া কোয়েটস নিউইয়র্ক টাইমসকে জানান, তারা এখন প্রকল্পটির বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ করছেন, যেমন—বিদেশি ছাত্রদের ভিসা বাতিল, ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অনুমতি না দেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে ‘বিরোধী কনটেন্ট’ নিয়ন্ত্রণ।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেন টার্গেট?

যুক্তরাষ্ট্রের তরুণদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমছে, আর ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন বাড়ছে—এই বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন মিডল ইস্ট স্টাডিজ বিভাগগুলোকে ‘ইসরায়েলবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করে রদবদলের চাপ দিচ্ছে।

কী প্রভাব পড়ছে আন্দোলনে?

এই দমননীতি সাময়িকভাবে কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও একই সঙ্গে এটি নতুন করে মানুষকে সচেতন ও প্রতিরোধী করে তুলছে। আন্দোলনের নেতারা বলছেন, ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে না।

সূত্র : আল-জাজিরা

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

Tag :

এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী

যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন দমাতে প্রজেক্ট এসথার

আপডেট সময় ০৫:২২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী রক্ষণশীল থিংক ট্যাঙ্ক দ্য হেরিটেজ ফাউন্ডেশন গত বছর একটি নীতিমালা প্রকাশ করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিন সংহতি আন্দোলন ভন্ডুল করা। সেই নীতিমালাটির নাম ‘প্রজেক্ট এসথার’।

প্রথমে এটি খুব বেশি নজর কাড়েনি, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুপারিশ অনুসারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এটি বর্তমানে মিডিয়া ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

এই প্রকল্পে ফিলিস্তিনপন্থী গোষ্ঠী ও ছাত্র সংগঠনগুলোকে ‘হামাস সমর্থক নেটওয়ার্ক’ নামে অভিহিত করে বলা হয়েছে, তারা সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দিচ্ছে—যা মানবাধিকার কর্মীদের মতে ভিত্তিহীন ও মিথ্যাচার।

প্রজেক্ট এসথার কী?

এটি ২৪ মাসের মধ্যে তথাকথিত ‘হামাস সমর্থক নেটওয়ার্ক’কে ধ্বংস করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত নথি। এতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন আসলে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করছে, যদিও এমন কোনও নেটওয়ার্ক বাস্তবে বিদ্যমান নেই।

কীভাবে এই প্রকল্প কার্যকর হচ্ছে?

হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া কোয়েটস নিউইয়র্ক টাইমসকে জানান, তারা এখন প্রকল্পটির বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ করছেন, যেমন—বিদেশি ছাত্রদের ভিসা বাতিল, ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অনুমতি না দেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে ‘বিরোধী কনটেন্ট’ নিয়ন্ত্রণ।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেন টার্গেট?

যুক্তরাষ্ট্রের তরুণদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমছে, আর ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন বাড়ছে—এই বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন মিডল ইস্ট স্টাডিজ বিভাগগুলোকে ‘ইসরায়েলবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করে রদবদলের চাপ দিচ্ছে।

কী প্রভাব পড়ছে আন্দোলনে?

এই দমননীতি সাময়িকভাবে কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও একই সঙ্গে এটি নতুন করে মানুষকে সচেতন ও প্রতিরোধী করে তুলছে। আন্দোলনের নেতারা বলছেন, ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে না।

সূত্র : আল-জাজিরা

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ