ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo লংমার্চের নামে গাড়িমার্চ চলছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী Logo ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠন নিয়ে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে তুমুল মারামারি—এমপিদের কিল-ঘুষি, চেয়ার ছোড়াছুড়ি Logo কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৮৬ জনের মধ্যে ছাত্রী ৭০৬ জন Logo চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা ইয়ার্ড ও টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের Logo প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মাদকাসক্তি, পরে ইন্টারনেট দেখে গড়েন ইয়াবা কারখানা Logo কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে Logo এলাকা ছাড়তে হলো মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বোনকে Logo এমবাপ্পেকে কত পয়েন্টে হারিয়ে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন কেইন, অন্যরা কে কত Logo জ্যাকলিনের প্রেমিকের ২০০ কোটির মামলায় নোরাকে আদালতে তলব Logo গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের প্রমাণ পায়নি পুলিশ

ময়মনসিংহ বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ: ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫—উভয় সূচকেই ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. এনামুল হক। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শাহাদত উল্লাহ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. আ খ ম কামাল হোসেন এবং কলেজ পরিদর্শক এস এম আরিফুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের আওতাধীন ১১৩টি কেন্দ্রে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। কৃতকার্যদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭০৭ এবং ছাত্রের সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৪৭ জন।

মেধার শীর্ষস্থান অর্থাৎ জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা; জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা এক হাজার ১১৯ এবং ছাত্রের সংখ্যা এক হাজার ১৮ জন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি—৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। বিপরীতে মানবিক বিভাগে ৪৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার নেমে এসেছে ৪২ দশমিক ৭২ শতাংশে।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে বোর্ডের মাত্র ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯টি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত নম্বর পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লংমার্চের নামে গাড়িমার্চ চলছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ: ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা

আপডেট সময় ০১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫—উভয় সূচকেই ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. এনামুল হক। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শাহাদত উল্লাহ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. আ খ ম কামাল হোসেন এবং কলেজ পরিদর্শক এস এম আরিফুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের আওতাধীন ১১৩টি কেন্দ্রে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। কৃতকার্যদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭০৭ এবং ছাত্রের সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৪৭ জন।

মেধার শীর্ষস্থান অর্থাৎ জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা; জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা এক হাজার ১১৯ এবং ছাত্রের সংখ্যা এক হাজার ১৮ জন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি—৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। বিপরীতে মানবিক বিভাগে ৪৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার নেমে এসেছে ৪২ দশমিক ৭২ শতাংশে।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে বোর্ডের মাত্র ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯টি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত নম্বর পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ