ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ইথিওপিয়ার মন্ত্রী-আমলাদের সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কঙ্গো যাচ্ছেন বিমানবাহিনীর ১৩৪ সদস্য Logo আরব উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা Logo সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নরওয়েকে সহযোগিতার আহ্বান স্পিকারের Logo তাহসিফের সঙ্গে বারে দেখা যাওয়া জেরিকা দিশা ৪ দিনের রিমান্ডে Logo হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১৪১৭ জন, আরো ২ জনের মৃত্যু Logo শ্রমিক আন্দোলনে নাশকতার চেষ্টা, আ. লীগের ১১ নেতাকর্মী আটক Logo ‘গুলশানের চামেলি’ ছাড়ার গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ মধুমিতা Logo কনসার্টে নাচতে গিয়ে প্যান্ট ছিঁড়ে গেল বিটিএস তারকার Logo আইফায় ‘ধুরন্ধর’-এর জয়জয়কার, রণবীর-অনীতের হাতে সেরার পুরস্কার

কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না। অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল, তাদের পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে। তাদের তো দিদি ছিল, আপনাদের কে আছে? জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে পার পাবেন না।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফর প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুই দিন আগে চার দিনের সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন। কী জন্য গিয়েছিলেন, কী করে এসেছেন, জাতির সামনে তাকে এটা খোলাসা করতে হবে। বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়।

সমাবেশে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে চার দিনের সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন। কী জন্য গিয়েছিলেন, কী করে এসেছেন— জাতির সামনে তাকে এটা খোলাসা করতে হবে। বিশেষ করে মাদারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল, তাদের পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে। তাদের তো দিদি-দাদা ছিল, আপনাদের কে আছে? জনগণের সাথে প্রতারণা করে পার পাবেন না।’

শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। এই বহর হানিফ ফ্লাইওভার হয়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ধরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, রূপসা সেতু পার হয়ে যশোর ও কুষ্টিয়ার দিকে যাবে। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এই যাত্রাপথে ১৯টি জেলা অতিক্রম করা হবে। পথে একাধিক পথসভা হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে মাদারীপুর–শরীয়তপুরের মাঝামাঝি নাওডোবা দিয়ে খুলনা বিভাগের দিকে যাবে লংমার্চের গাড়িবহর। পথে নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ–চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ হবে।

ঢাকায় সমাবেশে জামায়াত আমির বলেন, বিরোধী দল সাত দফা দাবিতে লংমার্চ করছে। এর মধ্যে মূল দফা হচ্ছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন। এ রায় বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই বাকি ছয় দফা জন্ম নিয়েছে। যদি একটা দফা বাস্তবায়ন হতো, বাকি ছয় দফা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতো না। কোনো চাঁদাবাজ, কোনো দখলদার, কোনো দুর্নীতিবাজ, কোনো মাদকসম্রাট মাথা তুলে দাঁড়াতে পারত না।

বিএনপি জাতিকে হতাশ করেছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, বিএনপি জাতির সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রতারণা করেছে। কথা দিয়ে কথা ভঙ্গ করেছে। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যাচার করেছে। জনগণের রায়কে উপহাস করেছে। তারা বিএনপিকে বলেছিলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এর জন্য তাদের উচ্চমূল্য দিতে হবে। তারা সম্ভবত সেদিকেই আগাচ্ছে।

আগামী ৯ নভেম্বর সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ সব অফিস বিএনপির অফিসে পরিণত হয়েছে। সেখান থেকে সরকারি টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, মানুষের ভিটা দখল করছে। প্রধানমন্ত্রীকে বুঝতে হবে, দিনশেষে সব দোষ তাঁর কাঁধে আসবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দেশের সব সংকটের মূলে রয়েছে সংবিধান সংস্কার না করা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা। সরকার নানাভাবে জনগণের রায়কে অসম্মান করে যাচ্ছে।

উদ্বোধনী সমাবেশে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার সাংবিধানিক সব পদে দলীয় লোক বসাতে চায়। জুলাই সনদ মানলে সেটি তারা পারবেন না। এ জন্য তারা জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করছেন। বিরোধী দলের লংমার্চে মাধ্যমে জনমত গঠন হচ্ছে। জনগণ তাঁদের লাল কার্ড দেখাবে, গাদ্দারি করতে দিবে না।

উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ডাকসু ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) প্রমুখ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইথিওপিয়ার মন্ত্রী-আমলাদের সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করলেন প্রধানমন্ত্রী

কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না

আপডেট সময় ১০:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না। অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল, তাদের পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে। তাদের তো দিদি ছিল, আপনাদের কে আছে? জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে পার পাবেন না।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফর প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুই দিন আগে চার দিনের সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন। কী জন্য গিয়েছিলেন, কী করে এসেছেন, জাতির সামনে তাকে এটা খোলাসা করতে হবে। বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়।

সমাবেশে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে চার দিনের সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন। কী জন্য গিয়েছিলেন, কী করে এসেছেন— জাতির সামনে তাকে এটা খোলাসা করতে হবে। বিশেষ করে মাদারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল, তাদের পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে। তাদের তো দিদি-দাদা ছিল, আপনাদের কে আছে? জনগণের সাথে প্রতারণা করে পার পাবেন না।’

শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। এই বহর হানিফ ফ্লাইওভার হয়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ধরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, রূপসা সেতু পার হয়ে যশোর ও কুষ্টিয়ার দিকে যাবে। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এই যাত্রাপথে ১৯টি জেলা অতিক্রম করা হবে। পথে একাধিক পথসভা হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে মাদারীপুর–শরীয়তপুরের মাঝামাঝি নাওডোবা দিয়ে খুলনা বিভাগের দিকে যাবে লংমার্চের গাড়িবহর। পথে নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ–চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ হবে।

ঢাকায় সমাবেশে জামায়াত আমির বলেন, বিরোধী দল সাত দফা দাবিতে লংমার্চ করছে। এর মধ্যে মূল দফা হচ্ছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন। এ রায় বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই বাকি ছয় দফা জন্ম নিয়েছে। যদি একটা দফা বাস্তবায়ন হতো, বাকি ছয় দফা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতো না। কোনো চাঁদাবাজ, কোনো দখলদার, কোনো দুর্নীতিবাজ, কোনো মাদকসম্রাট মাথা তুলে দাঁড়াতে পারত না।

বিএনপি জাতিকে হতাশ করেছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, বিএনপি জাতির সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রতারণা করেছে। কথা দিয়ে কথা ভঙ্গ করেছে। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যাচার করেছে। জনগণের রায়কে উপহাস করেছে। তারা বিএনপিকে বলেছিলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এর জন্য তাদের উচ্চমূল্য দিতে হবে। তারা সম্ভবত সেদিকেই আগাচ্ছে।

আগামী ৯ নভেম্বর সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ সব অফিস বিএনপির অফিসে পরিণত হয়েছে। সেখান থেকে সরকারি টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, মানুষের ভিটা দখল করছে। প্রধানমন্ত্রীকে বুঝতে হবে, দিনশেষে সব দোষ তাঁর কাঁধে আসবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দেশের সব সংকটের মূলে রয়েছে সংবিধান সংস্কার না করা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা। সরকার নানাভাবে জনগণের রায়কে অসম্মান করে যাচ্ছে।

উদ্বোধনী সমাবেশে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার সাংবিধানিক সব পদে দলীয় লোক বসাতে চায়। জুলাই সনদ মানলে সেটি তারা পারবেন না। এ জন্য তারা জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করছেন। বিরোধী দলের লংমার্চে মাধ্যমে জনমত গঠন হচ্ছে। জনগণ তাঁদের লাল কার্ড দেখাবে, গাদ্দারি করতে দিবে না।

উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ডাকসু ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) প্রমুখ।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ