ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রবি আজিয়াটার মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ Logo লিটনের ‘অদ্ভুত’ ব্যাটিংয়ের পর ২৭২ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ Logo চ্যাটজিপিটির ব্যবহার বাড়ায় বদলে যাচ্ছে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান Logo হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোর দাবি নিয়ে পডকাস্টে যা বলেছিলেন তাহসিফ Logo তাইওয়ানের বিমানকে ফের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিল চীন Logo হঠাৎ ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো উত্তর কোরিয়া Logo দেশের ৪ সমুদ্রবন্দর থেকে নামলো সতর্ক সংকেত Logo আ. লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড Logo ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রকে মানুষের ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই : আইনমন্ত্রী Logo সততা ও পেশাদারি জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনা উদ্বোধন ২০২৭ সালের নভেম্বরে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

২০২৭ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বল

তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি তুলে ধরে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ইতোমধ্যে তিস্তা ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের টেকনিক্যাল পর্যায়ে কথা হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে। আমরা তিস্তার ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা যাচাই) প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। অর্থমন্ত্রী ফিরে এলেই আমরা হয়তো এর অনুমোদন পেয়ে যাব।

প্রকল্পের নিখুঁত পরিকল্পনার জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোর কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সিইজিআইএস নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস এবং মালয়েশিয়া থেকেও আমরা পরামর্শ নিচ্ছি। সব পরামর্শের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) তৈরি করা হবে। কোন পদ্ধতিতে কাজ করলে এখানকার মানুষ সবচেয়ে বেশি সুফল পাবে, তা নিশ্চিত করতেই এই ডিপিপি তৈরি করতে আরো ৮-৯ মাস সময় লাগবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই মেগাপ্রকল্পের মাধ্যমে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর—এই পাঁচটি জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে এবং প্রত্যাশা পূরণ হবে।

মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খালটির গুরুত্ব তুলে ধরে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী আসবেন এবং তাকে দিয়েই দৃষ্টিনন্দন এই খালটির উদ্বোধন করানো হবে। ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা পাবে। খালের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা নতুন লালমনিরহাটের দ্বার উন্মোচন করবে।

পরিদর্শনের সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রবি আজিয়াটার মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা উদ্বোধন ২০২৭ সালের নভেম্বরে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:০৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

২০২৭ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বল

তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি তুলে ধরে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ইতোমধ্যে তিস্তা ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের টেকনিক্যাল পর্যায়ে কথা হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে। আমরা তিস্তার ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা যাচাই) প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। অর্থমন্ত্রী ফিরে এলেই আমরা হয়তো এর অনুমোদন পেয়ে যাব।

প্রকল্পের নিখুঁত পরিকল্পনার জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোর কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সিইজিআইএস নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস এবং মালয়েশিয়া থেকেও আমরা পরামর্শ নিচ্ছি। সব পরামর্শের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) তৈরি করা হবে। কোন পদ্ধতিতে কাজ করলে এখানকার মানুষ সবচেয়ে বেশি সুফল পাবে, তা নিশ্চিত করতেই এই ডিপিপি তৈরি করতে আরো ৮-৯ মাস সময় লাগবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই মেগাপ্রকল্পের মাধ্যমে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর—এই পাঁচটি জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে এবং প্রত্যাশা পূরণ হবে।

মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খালটির গুরুত্ব তুলে ধরে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী আসবেন এবং তাকে দিয়েই দৃষ্টিনন্দন এই খালটির উদ্বোধন করানো হবে। ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা পাবে। খালের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা নতুন লালমনিরহাটের দ্বার উন্মোচন করবে।

পরিদর্শনের সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ